ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ০৪:৪৩ পিএম
রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সংবর্ধনা মঞ্চে দেওয়া ভাষণে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই অভ্যুত্থানের বীর সেনানি শহীদ শরিফ ওসমান হাদির অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
হাদির স্বপ্ন ও অর্থনৈতিক মুক্তি বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে লাখো জনতার উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, কয়েকদিন আগে আমাদের ভাই ওসমান শহীদ হয়েছেন।
ওসমান হাদি চেয়েছিলেন, এদেশের মানুষ যেন তাদের হারানো অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পায়। তার সেই স্বপ্ন পূরণ করা আমাদের দায়িত্ব।”
শহীদদের রক্তের ঋণ: তারেক রহমান একাত্তর ও চব্বিশের চেতনাকে এক সুতোয় গেঁথে বলেন, “৭১-এ যারা শহীদ হয়েছে এবং ২৪-এর ছাত্র-জনতার বিপ্লবে যারা প্রাণ দিয়েছে, তাদের রক্তের ঋণ যদি আমাদের শোধ করতে হয়, তবে তাদের সেই প্রত্যাশিত বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। আমরা যদি একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে না পারি, তবে এই আত্মত্যাগ সার্থক হবে না।শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের অঙ্গীকার: বক্তব্যের এক পর্যায়ে তারেক রহমান পরপর তিনবার উচ্চারণ করেন— “আমরা দেশের শান্তি চাই।
সার্বভৌমত্ব রক্ষা ৭১-এ মানুষ যেভাবে স্বাধীনতা এনেছিল, ২৪-এ সর্বস্তরের মানুষ একইভাবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে।অধিকারের লড়াই মানুষ এখন তাদের কথা বলার অধিকার ও গণতন্ত্র ফিরে পেতে চায়।তরুণদের নেতৃত্ব তরুণ প্রজন্মই আগামীতে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দেশকে গড়ে তুলবে।ধর্মীয় সম্প্রীতি তিনি আরও যোগ করেন যে, মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সবাইকে নিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়া হবে, যেখানে কেউ নিজেকে সংখ্যালঘু বা অনিরাপদ মনে করবে না।
ভাষণ শেষে তারেক রহমান সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। উল্লেখ্য, আগামী শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করার কর্মসূচি রয়েছে তারেক রহমানের।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন