সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

দেশকে নতুন করে গড়তে ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য হয়েছে: মামুনুল হক

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৮:৪৭ পিএম

দেশকে নতুন করে গড়তে ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য হয়েছে: মামুনুল হক

১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের প্রতিবাদী এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারগুলোকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা-১৩ আসনে (মোহাম্মদপুর-আদাবর-শেরে বাংলা নগর) বিশাল নির্বাচনি জনসভা করেছেন ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য সমর্থিত প্রার্থী আল্লামা মামুনুল হক। বৃহস্পতিবার বিকেলে মোহাম্মদপুরে আয়োজিত এই সভায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এই নেতা বলেন।

পরাজিত শক্তি চব্বিশের জুলাই বিপ্লবকে একাত্তরের মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই ধরনের সকল দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ৪৭, ৭১ ও ২৪-এর বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়তেই ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য গঠিত হয়েছে।

বক্তৃতায় মামুনুল হক একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, ওই দলটি প্রকাশ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর কথা বললেও তলে তলে ‘না’ এর পক্ষে কাজ করে দ্বিচারিতা করছে। 

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মোনাফেকি আর ভাওতাবাজির রাজনীতি করে জাতির কাঙ্ক্ষিত মুক্তি অর্জন সম্ভব নয়। ঢাকা-১৩ আসনকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, জুলুমবাজ ও মাদকমুক্ত করার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, “আমরা জনগণের দুয়ারে দুয়ারে রিকশা প্রতীক নিয়ে যাবো। ইনশাআল্লাহ, বিভেদের রাজনীতির দিন শেষ, এখন ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের সময়। আমরা যা করতে পারবো তাই বলবো, আর যা বলবো তা জীবন দিয়ে বাস্তবায়ন করবো।

জনসভায় এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব হাফেজ আকরাম হুসাইন মামুনুল হকের কারাজীবনের স্মৃতি চারণ করে বলেন, রিমান্ডে তাঁর ওপর হওয়া অমানবিক নির্যাতন আমি নিজ চোখে দেখেছি। তিনি এমন একজন মানুষ যাকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করা যায়। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের শুরা সদস্য ডা. শফিউর রহমান বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে মানুষ বারবার উন্নত রাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি পেয়ে প্রতারিত হয়েছে। এবার সেই স্বাধীনতা রক্ষা ও নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে মামুনুল হককে বিজয়ী করতে হবে।

১০ দলীয় নির্বাচনি লিয়াজোঁ কমিটির আহ্বায়ক মুফতি আশরাফুজ্জামানের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, যুগ্ম মহাসচিব তোফাজ্জল হোসাইন মিয়াজীসহ জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন ৭১-এর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার এবং শাপলা চত্বর ও জুলাই বিপ্লবের শহীদদের পিতারা। জনসভাকে কেন্দ্র করে মোহাম্মদপুর এলাকায় নেতাকর্মীদের ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।