রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠান স্থগিত

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ০৯:২০ পিএম

জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠান স্থগিত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পূর্বনির্ধারিত নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই ইশতেহার আনুষ্ঠানিকভাবে জাতির সামনে তুলে ধরার কথা ছিল। তবে শনিবার রাতে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের অনুষ্ঠানটি স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি জানান দলীয় আমির ডা. শফিকুর রহমানের একটি বিশেষ ও জরুরি সফরের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইশতেহার ঘোষণার পরবর্তী তারিখ ও সময় রোববারই আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে রোববার সকালে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান শেরপুরের শ্রীবরদীতে যাবেন। সেখানে তিনি সাম্প্রতিক সহিংসতায় নিহত শহীদ রেজাউল করিমের পরিবার ও সন্তানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং মরহুমের কবর জিয়ারত করবেন। মূলত এক শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং সাংগঠনিক কিছু জরুরি কাজের জন্য তাকে এই সফর করতে হচ্ছে। 

শহীদ পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর তিনি শেরপুর জেলা শহরে আয়োজিত একটি নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। এরপর দুপুরে জামালপুরে আরেকটি জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।তফসিল অনুযায়ী জামায়াত আমিরের রোববারের কর্মসূচি বেশ ব্যস্ততাপূর্ণ। জেলা পর্যায়ের সফর শেষ করে তিনি বিকেলে ঢাকায় ফিরবেন। এরপর নিজের নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৫ আসনে (মিরপুর-কাফরুল) বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত গণসংযোগ ও একাধিক পথসভায় অংশ নেবেন। 

নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকায় প্রার্থীদের প্রচারণায় অংশ নেওয়া এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেওয়াকে এই মুহূর্তে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি। ইশতেহার তৈরির কাজ সম্পন্ন হলেও আমিরের সরাসরি উপস্থিতিতে তা ঘোষণা করতেই এই সাময়িক বিলম্ব।

জামায়াত নেতারা জানিয়েছেন তাদের এবারের ইশতেহারে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জুলাই বিপ্লবের চেতনা বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপরেখা সম্বলিত এই ইশতেহারটি আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই কোনো এক সুবিধাজনক সময়ে প্রকাশ করা হবে। ভোটারদের মাঝে আস্থা তৈরি এবং ১১ দলীয় জোটের লক্ষ্যসমূহ স্পষ্ট করতেই এই ইশতেহারটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।