সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন তারেক রহমান

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম

জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছেন তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। এই মাহেন্দ্রক্ষণে আজ জাতির উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দিচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে তার এই ভাষণ একযোগে প্রচার করা শুরু হয়। 

নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের ধারাবাহিকভাবে এই ভাষণ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। তারেক রহমান তার ভাষণে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট, জনজীবনের সমস্যা এবং বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সংস্কারের রূপরেখা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরছেন। 

বিশেষ করে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বেকারদের জন্য সরকারি সহায়তার মতো বৈপ্লবিক প্রতিশ্রুতিগুলো তার ভাষণে উঠে আসছে।তারেক রহমানের এই ভাষণটি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। 

দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর গত বছর দেশে ফিরে তিনি দলের হাল ধরেন এবং এবার সরাসরি নির্বাচনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ভাষণে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ভোট ও গণভোটে সাধারণ মানুষকে নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে এই নির্বাচন শুধুমাত্র ক্ষমতা পরিবর্তনের নয় বরং জনগণের হারানো ভোটাধিকার এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই। এর আগে গত রবিবার জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বিটিভিতে তাদের ভাষণ প্রদান করেন। 

আজ সন্ধ্যায় তারেক রহমানের আগে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানও জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন।উল্লেখ্য যে এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। যার মধ্যে তরুণ ভোটারদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। তারেক রহমান তার ভাষণে নতুন প্রজন্মের জন্য উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন। 

ভোটগ্রহণের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি থাকায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের শেষ মুহূর্তের এই প্রচারণাকে ভোটাররা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টার পর কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণা চালানো যাবে না। ফলে আজকের এই ভাষণই বিএনপির জন্য ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর সবচেয়ে বড় মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। ভোটগ্রহণ চলবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।