সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

সংরক্ষিত মহিলা আসন: জামায়াতের প্রার্থী তালিকায় আমিরের স্ত্রীসহ শীর্ষ নেত্রীরা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ১১:৩০ এএম

সংরক্ষিত মহিলা আসন: জামায়াতের প্রার্থী তালিকায় আমিরের স্ত্রীসহ শীর্ষ নেত্রীরা

জামায়াতের নারী নেতৃত্ব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬৮টি আসনে জয়লাভের পর এবার সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বর্তমান সংসদীয় কাঠামো অনুযায়ী ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে দলটি আনুমানিক ১১ থেকে ১২টি আসন পেতে পারে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। এসব আসনে কারা মনোনয়ন পাবেন এবং সংসদের প্রতিনিধিত্ব করবেন, তা নিয়ে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছে। 

সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকায় দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের স্ত্রীসহ একাধিক শীর্ষ নেতার স্ত্রী এবং মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় নেত্রীদের নাম উঠে এসেছে।দলীয় সূত্রমতে, সংরক্ষিত আসনে অগ্রাধিকার পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন আমিরের স্ত্রী আমেনা বেগম। তিনি এর আগেও সংসদে জামায়াতের প্রতিনিধিত্ব করার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। 

এছাড়া নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের স্ত্রী হাবিবা রহমান এবং কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দের স্ত্রীর নামও আলোচনায় রয়েছে।

 সাংগঠনিক নেতৃত্বের মধ্য থেকে মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, কেন্দ্রীয় নেত্রী ফাতেমা আক্তার হ্যাপি এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি আয়েশা সিদ্দিকা পারভীনের মতো সক্রিয় নেত্রীদের নাম শোনা যাচ্ছে। পাশাপাশি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রভাষক মারদিয়া মমতাজও সম্ভাব্য তালিকায় স্থান পেয়েছেন বলে জানা গেছে।জামায়াতের নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, যে সকল এলাকায় দলের কোনো সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্য নেই, সেসব অঞ্চলের যোগ্য ও নেতৃত্বদানে সক্ষম নারী নেত্রীদের সংরক্ষিত আসনে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হবে। 

এ বিষয়ে মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা জানান, সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি খসড়া তালিকা ইতিমধ্যে দলের আমিরের কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি এটি কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে উপস্থাপন করার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত যোগ্যতার পাশাপাশি ভৌগোলিক প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সংরক্ষিত আসন বণ্টন নিয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার পরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে। তবে জুলাই সনদ অনুযায়ী যদি সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ১০০ করা হয়, সেক্ষেত্রে জামায়াত প্রায় ২৪টি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আসন সংখ্যা বাড়লে প্রার্থী নির্বাচনের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে। আপাতত বর্তমান কাঠামোর ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রস্তুতি রাখছে দলটি।