মার্চ ১২, ২০২৬, ০২:১৬ পিএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৫ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও ওই আসনের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার। বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এ সংক্রান্ত নির্বাচনী আবেদনের ওপর শুনানির জন্য বিষয়টি কার্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক নির্বাচনে এই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আসগরকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল। গোলাম পরওয়ারের অভিযোগ, নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে সুপরিকল্পিত কারচুপি এবং অনিয়মের মাধ্যমে তাকে পরাজিত দেখানো হয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর কোনো প্রার্থী সংক্ষুব্ধ হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উচ্চ আদালতে নির্বাচনী আবেদন দাখিল করতে পারেন। সেই সাংবিধানিক ও আইনি অধিকারের ভিত্তিতেই জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে এই আবেদন জমা দেন।
আবেদনপত্রে তিনি ভোট গ্রহণের দিন বিভিন্ন কেন্দ্রে এজেন্টদের বাধা প্রদান এবং ফলাফল পাল্টে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরেছেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল হিসেবে এই ধরনের আবেদনগুলোর শুনানি গ্রহণ করছেন।উল্লেখ্য যে, এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির মধ্যে বেশ কিছু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে।
খুলনা-৫ আসনে গোলাম পরওয়ারের এই আইনি পদক্ষেপের ফলে ওই আসনের ফলাফল নিয়ে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট আসনের ফলাফল বাতিল বা পুনরায় ভোট গ্রহণের নির্দেশ দেওয়ার এখতিয়ার রাখে। তবে পুরো আইনি প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে এবং চূড়ান্ত রায় আসতে আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। সারা দেশের বিভিন্ন আসন থেকে আসা নির্বাচনী অভিযোগগুলোর শুনানি পর্যায়ক্রমে এই বিশেষ বেঞ্চে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন