জুন ২০, ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
প্রথম পরিবারে অস্থিরতা তৈরি না করার জন্যই দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি শুরুতে গোপন রেখেছিলেন মাওলানা মামুনুল হক। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির তার আলোচিত নারায়ণগঞ্জ রিসোর্ট ঘটনার প্রেক্ষাপট নিয়ে এই ব্যাখ্যা দিয়েছেন। শনিবার (২০ জুন) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।উপমহাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় একাধিক বিয়ে একটি জটিল বিষয়।
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যারা একাধিক বিয়ে করেন, তারা প্রথম পরিবার থেকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বিষয়টি লুকিয়ে রাখেন। কারণ পরিবার সাধারণত এটি মেনে নিতে চায় না। মামুনুল হক জানান, রাষ্ট্রীয় আইনে প্রথম স্ত্রীর অনুমতির বাধ্যবাধকতা থাকায় কাবিন করার ক্ষেত্রেও আইনি জটিলতা ছিল।
ইসলাম ধর্মে কাবিন করা বাধ্যতামূলক নয়। প্রথম বিয়ের সময় স্ত্রী রাষ্ট্রীয় আইনে অপ্রাপ্তবয়স্ক থাকায় সেখানেও কাবিন করা হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।তবে দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি তার বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি আগে থেকেই জানতেন। রয়েল রিসোর্টে ঘটনার দিন এক এএসপি পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা ওই ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে আশ্বস্ত হয়েছিলেন।
মামুনুল হকের পক্ষে কিছুটা ইতিবাচক ভূমিকা পালন করায় ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে পরে হাসিনা সরকারের চরম নিগ্রহের শিকার হতে হয়।বিয়ের বিষয়টি যারা জানতেন, তাদের ওপর দিয়েও বড় ধরনের ঝড় বয়ে গেছে। মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিবৃতি আদায়ের জন্য গোয়েন্দা সংস্থার চাপ সামলাতে না পেরে কয়েকজন আলেম দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও কেউ মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে রাজি হননি।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন