সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

এনসিপিকে ১০টি আসন ছাড়তে রাজি বিএনপি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ৫, ২০২৫, ১০:২১ এএম

এনসিপিকে ১০টি আসন ছাড়তে রাজি বিএনপি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির প্রার্থী তালিকা এবং আসন ভাগাভাগির সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে নানা বিশ্লেষণ। বিএনপি প্রাথমিকভাবে ২৩৭টি আসনে তাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলেও, দলটির ৬৩টি আসন এখনো খালি রাখা হয়েছে।ধারণা করা হচ্ছে, এই খালি আসনগুলো দীর্ঘদিনের যুগপৎ আন্দোলন-সংগ্রামের মিত্র এবং সম্ভাব্য নতুন শরিকদের জন্য রাখা হয়েছে।

বিএনপির শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, ৬৩টি আসনের সবকটিই জোটের জন্য নয়; কিছু আসনে বিএনপির একাধিক শক্তিশালী প্রার্থী থাকায় সেগুলো এখনো অমীমাংসিত। তবে শরিকদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তারা।বিএনপির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোর জন্য ২৫ থেকে ৩০টি আসন ছাড়া হতে পারে। এর পাশাপাশি, নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে জোট হলে তাদের জন্য আরও প্রায় ১০টি আসন ছাড়ার কথা ভাবছে বিএনপি।

তবে, এবারের নির্বাচনে বড় পরিবর্তন এনেছে সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)। এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিকরা (যেমন এনসিপি) এবার আর 'ধানের শীষ' প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন না; তাদের নিজ নিজ দলের (এনসিপির ক্ষেত্রে 'শাপলা কলি') প্রতীকেই নির্বাচন করতে হবে।

এনসিপি সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির সঙ্গে জোট হলে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম (ঢাকা-১১), সদস্যসচিব আখতার হোসেন (রংপুর-৪), সারজিস আলম (পঞ্চগড়-১), নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী (ঢাকা-১৮), তাসনিম জারা (ঢাকা-৯), হাসনাত আবদুল্লাহ (কুমিল্লা-৪), সারোয়ার তুষার (নরসিংদী-২), হান্নান মাসউদ (নোয়াখালী-৬) এবং আদিবুল ইসলাম আদীব (ঢাকা-১৪) থেকে নির্বাচন করতে পারেন।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘৬৩টি আসন খালি রাখা হয়েছে। ...সব আসন যে জোটের জন্য রাখা হয়েছে, বিষয়টি এমন নয়। ...আমাদের সঙ্গে আন্দোলনে থাকা দলগুলোকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করা হবে। দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।’