জুলাই ১৭, ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের ঠিক আগে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির জন্য এলো বড় সুখবর। ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, বিশ্বের সেরা ফুটবলারের এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জয়ের ক্ষেত্রে ইউরোপের কোনো ক্লাবে খেলার বাধ্যবাধকতা নেই। ফলে ইন্টার মায়ামিতে খেললেও নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে মেসির সম্ভাবনা অক্ষুণ্ন রয়েছে।
ফাইনালের শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ের আগে ব্যালন ডি’অর নিয়ে এই ঘোষণা ফুটবল বিশ্বে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।শুরুতে ব্যালন ডি’অর কেবল ইউরোপীয় লিগে খেলা ফুটবলারদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকলেও, ১৯৯৫ সালে তা আন্তর্জাতিক করা হয়। তবে তখনও ইউরোপের কোনো ক্লাবে খেলার শর্ত ছিল। ২০০৭ সালে সেই নিয়ম পরিবর্তনের পর থেকে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের সেরা ফুটবলারকে এই পুরস্কার প্রদানের পথ প্রশস্ত হয়।
ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ তাদের বিবৃতিতে জানায়, গত ১৮টি আসর বিশ্লেষণে দেখা গেছে অধিকাংশ বিজয়ী ইউরোপের ক্লাবেই খেলছিলেন। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে রয়েছেন লিওনেল মেসি। ২০২৩ সালে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলার সময়ই তিনি অষ্টম ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন, যা ইতিহাসে প্রথমবার কোনো ফুটবলার ইউরোপের বাইরের ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করে এই সম্মান পেলেন।কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ব্যালন ডি’অরের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগতভাবে কোনো অসম্ভব কিছু নেই। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের ফুটবলারই যদি নিজের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সেরা হতে পারেন, তবে তিনি এই পুরস্কার জিততে পারবেন।
৩৯ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন এই তারকা এবারের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন। সাত ম্যাচে করেছেন ৮ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৪টি গোল। তার অধিনায়কত্বেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ফাইনালে জয়ী হতে পারলে বা নিজের সেরাটা ধরে রাখতে পারলে নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের পথে তিনি অনেকটাই এগিয়ে যাবেন বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।মেসির এই অসামান্য কীর্তি কেবল আর্জেন্টিনার সমর্থকদের জন্যই নয়, বিশ্ব ফুটবলপ্রেমীদের কাছেও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। ফাইনালের মহারণে এখন মেসির জাদুর অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন