জুন ৮, ২০২৬, ০৪:৫৫ পিএম
বরগুনা জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর পরিচ্ছন্নতাকর্মী ইতি রানী ও তাঁর দুই মেয়ের মৃত্যুর পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো মামলা গ্রহণ করেনি পুলিশ। উল্টো ভুক্তভোগী পরিবার মামলা করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিহত ইতির স্বজনদের ভাষ্য, গত শনিবার রাতে ইতির স্বামী দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস বরগুনা সদর থানায় মামলা করতে যান। কিন্তু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাঁকে বাদী না হয়ে ইতির মাকে বাদী করার পরামর্শ দেন। এ সময় কোনো যৌক্তিক কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে স্বামীর সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা যাচাই করতে রক্তের সম্পর্কের কাউকে বাদী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে স্বজনদের দাবি, পুলিশ তাদের নানাভাবে বিভ্রান্ত করছে। ইতি রানী গত দুই মাস ধরে ডাকবাংলোয় কাজ করলেও এখন জেলা পরিষদ বা কেয়ারটেকার কর্তৃপক্ষ তাকে চিনতে অস্বীকার করছে বলেও তারা অভিযোগ তুলেছেন।
গত বুধবার ডাকবাংলোর কক্ষ থেকে ইতি রানী ও তাঁর দুই মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ তখন প্রাথমিকভাবে একে আত্মহত্যা বলে ধারণা প্রকাশ করেছিল। তবে পরিবারের দাবি, সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের আগেই পুলিশের এমন মন্তব্য তদন্তকে প্রভাবিত করতে পারে। এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্বজনরা।
মামলা করতে গিয়ে পদে পদে বাধা ও সিসিটিভি ফুটেজ দেখানোর নামে কালক্ষেপণের অভিযোগ তুলেছেন নিহতের ভাই ও ভাসুর। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের দাবিতে এখনো সোচ্চার পরিবার।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন