রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

শিক্ষিকাকে কুপিয়ে জখম, ছাত্রীর মা গ্রেপ্তার

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুলাই ১৪, ২০২৬, ১১:৫২ পিএম

শিক্ষিকাকে কুপিয়ে জখম, ছাত্রীর মা গ্রেপ্তার

ছবি - সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পাওনা টিউশনির টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে এক স্কুলশিক্ষিকাকে ঘরে আটকে দা দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষিকার নাম সিঁথি সীমিতা (২৮)। হামলায় তাঁর মাথায় ১০টি কোপের আঘাত লেগেছে এবং একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।সোমবার সকালে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের পানাউল্লাহরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত হামলাকারী প্রিয়া বেগমকে (২৫) স্থানীয়রা হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়েছে।স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিঁথি সীমিতা স্থানীয় একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। তিনি প্রিয়া বেগমের সন্তানকে মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা চুক্তিতে তিন মাস ধরে পড়াচ্ছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি পাওনা টাকা চাইলে প্রিয়া ক্ষুব্ধ হন। সোমবার সকালে পড়ানো শেষ করে চলে আসার সময় প্রিয়া ঘরের দরজা বন্ধ করে দা নিয়ে শিক্ষিকার ওপর হামলা করেন।

জোড়া ছিটকিনি লাগানো থাকায় শিক্ষিকা ঘর থেকে বের হতে পারেননি। এতে তাঁর মাথায় ১০টি কোপ লাগে, যেখানে চিকিৎসকদের ৫০টি সেলাই দিতে হয়েছে। এছাড়া তাঁর হাতের সাতটি আঙুল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সিঁথি সীমিতা জানান, হামলার সময় তাঁর স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। মামলার বাদী শিশু মিয়া অভিযোগ করেন, এটি স্বর্ণালংকার লুট করার একটি পরিকল্পিত হামলা।ভৈরব থানার জ্যেষ্ঠ উপপরিদর্শক এমদাদুল কবির জানান, হত্যাচেষ্টার মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হামলার পেছনের উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।