রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

বিরলে জমি নিয়ে বিরোধে আম গাছ কাটার অভিযোগ

আতিউর রহমান

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১১:৩৩ পিএম

বিরলে জমি নিয়ে বিরোধে আম গাছ কাটার অভিযোগ

কর্তনকৃত আম গাছ।ছবি-দিনাজপুর টিভি

দিনাজপুরের বিরলে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে একটি আমবাগানের ১৫টি মুকুল ধরা গাছ কেটে সাবাড় করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাগান মালিক মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে প্রতিপক্ষ ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিরল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ০১নং আজিমপুর ইউনিয়নের কৃচিলাপুকুর গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে মো. মোস্তাফিজুর রহমানের (৪৪) সঙ্গে একই ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের মো. ইয়াকুব আলী (৬০) ও মো. নছির উদ্দীন (৭০) গংদের জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল। 

মোস্তাফিজুর রহমানের দাবি, বিবাদীরা তার পৈত্রিক ও রেকর্ডীয় সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছিলেন। এ বিষয়ে আদালতে মামলা দায়ের করা হলে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে আদালত মোস্তাফিজুর রহমানের পক্ষে রায় প্রদান করেন।

ভুক্তভোগী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আদালতের রায় তাদের পক্ষে আসায় প্রতিপক্ষরা আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা বিভিন্ন সময় চাষাবাদে বাধা প্রদানসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। এরই মধ্যে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাত ৮টা থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার মধ্যবর্তী সময়ে বিরল থানাধীন ০৩নং ধামইর ইউনিয়নের কাশিডাঙ্গা মৌজায় অবস্থিত তার আমবাগানে হামলা চালানো হয়। সেখানে থাকা ১৫টি মুকুল ধরা আম গাছ নিপুণভাবে কেটে ফেলা হয়। এতে আনুমানিক ২০ হাজার টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

শনিবার সকালে স্থানীয়রা বাগানে গাছ কাটা অবস্থায় দেখতে পেয়ে মোস্তাফিজুর রহমানকে খবর দেন। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে কাটা গাছগুলো দেখে স্থানীয়দের বিষয়টি অবগত করেন। এরপর তিনি মো. ইয়াকুব আলী, মো. নছির উদ্দীন, মো. নাহিদ ইসলাম, মো. আব্দুল মমিন ও মো. কামরুজ্জামানসহ বিবাদীদের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। বিরল থানায় দায়ের করা ওই অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় এ বিষয়ে তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে ভুক্তভোগী পরিবার আশা প্রকাশ করছে।