রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

দিনাজপুরে চাহিদার চেয়ে বাড়তি দেড় লাখ কোরবানির পশু

নিজস্ব প্রতিবেদক

মে ১৮, ২০২৬, ০৯:২৬ পিএম

দিনাজপুরে চাহিদার চেয়ে বাড়তি দেড় লাখ কোরবানির পশু

ছবি-দিনাজপুর টিভি

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দিনাজপুরের বিভিন্ন হাটে কোরবানির গবাদিপশু প্রচুর পরিমাণে উঠতে শুরু করেছে। বেচা-কেনা জমে উঠতে শুরু করেছে।এদিকে, দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলার খামারগুলো এবার চাহিদার তুলনায় বেশি গবাদিপশু প্রস্তুত করেছে। পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জেলার ৬২ হাজার ৪০৮ জন খামারি ও ব্যক্তি উদ্যোগে প্রস্তুত হয়েছে ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫২৩টি কোরবানির পশু। 

যা জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনায় ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৬১টি বেশি। তবে পশু উৎপাদনে খরচ ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় কোরবানির হাটে দাম নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে খামারি ও ক্রেতাদের মধ্যে।

এবার জেলার ১৩ উপজেলায় ৬৮টি পশুর হাট রয়েছে। এর মধ্যে কাহারোল হাট, চিরিরবন্দরের রানীরবন্দর, ঘোড়াঘাটের রানীগঞ্জ, পার্বতীপুরের আমবাড়ী পশুর বড় হাট বসে। জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ অন্যান্য জেলায় পাঠানো হবে ১ লাখ ৩২ হাজার ২৬১টি পশু এবং এবার প্রায় ৬০০ কোটি টাকার পশু বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানায় জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস জানায়, জেলায় ষাঁড়, বলদ ও গাভী মিলে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৬টি গরু, ২৪৮টি মহিষ, ২ লাখ ৩৪ হাজার ৯৯০টি ছাগল, ১৩ হাজার ৭২৯টি ভেড়া ও দুম্বা ১১টি কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। জেলায় ৬২ হাজার ৪০৮ জন খামারিসহ বিভিন্ন বাসা বাড়িতে এই গরুগুলো লালন-পালন করা হয়েছে।সদরের খামারি মিলন জানান, গোখাদ্য, ওষুধ এবং শ্রমিকদের মজুরি গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেড়েছে। এতে গত বছর যে গরুটি তৈরি করতে ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল, এ বছর সেই একই গরুর জন্য ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুর রহিম জানান, এবার প্রায় ৬০০ কোটি টাকার পশু বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। কোরবানির পশুর হাটগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মহাসড়কের পাশে হাট বসানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জেলায় ৬৮টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাট নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি উপজেলায় এ বিষয়ে প্রশাসনিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। হাটগুলোতে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ৩৮টি মেডিকেল টিম কাজ করবে।