রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

হিলি স্থলবন্দরে কমেছে চালের দাম,লোকশানে আমদানিকারকরা

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ১৫, ২০২৫, ০৮:৫৩ পিএম

হিলি স্থলবন্দরে কমেছে চালের দাম,লোকশানে আমদানিকারকরা

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে আমদানিকৃত চালের দাম কমতে শুরু করেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজিতে দাম কমেছে ৪ থেকে ৫ টাকা। দেশে নতুন ধান উঠতে শুরু করায় ভারতীয় চালের চাহিদা কমেছে, যার ফলে আমদানিকারকরা লোকসানের মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন।

বাজার পরিস্থিতি ও দাম বন্দরে চালের বাজারে ধস নেমেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। এক সপ্তাহ আগেও যে স্বর্ণা জাতের চাল ৬৫ থেকে ৬৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো, তা এখন কমে ৬০ থেকে ৬১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি এবং ক্রেতা সংকটের কারণেই এই মূল্যহ্রাস।

আমদানিকারকদের বক্তব্য চাল আমদানিকারক দিনেশ পোদ্দার জানান, গত ১২ই আগস্ট থেকে সরকার চাল আমদানির অনুমতি দেয়।

এবং সর্বশেষ সময়সীমা ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে সময় বাড়ালেও হিলিতে ক্রেতার তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, "আগে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১২০ ট্রাক চাল আমদানি হতো, যা এখন কমে ২০ থেকে ৩০ ট্রাকে দাঁড়িয়েছে। বন্দর এখন অনেকটাই ফাঁকা।"তিনি আরও বলেন, "দেশে নতুন ধান কাটা শুরু হয়েছে। কৃষকদের স্বার্থে এবং আমাদের লোকসানের হাত থেকে বাঁচাতে এখন আমদানি সাময়িকভাবে বন্ধ করা প্রয়োজন।

পাইকার ও ক্রেতাদের প্রতিক্রিয়া অন্যদিকে পাইকাররা বলছেন, ভারতীয় চালের দাম কিছুটা কমলেও তা এখনো দেশের নতুন চালের তুলনায় বেশি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পাইকার বলেন, "দেশের বাজারে নতুন চাল উঠতে শুরু করেছে, যার দাম ভারতীয় চালের চেয়ে কম। তাই বর্তমান দরে ভারতীয় চাল কিনে বাজার ধরা মুশকিল। দাম আরও কমা প্রয়োজন।"

শুল্ক স্টেশনের তথ্য হিলি শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা এম.আর জামান বাধন জানান, চাল আমদানি স্বাভাবিক থাকলেও আগের তুলনায় পরিমাণ কমেছে। তিনি বলেন, "গত সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর—এই দুই মাসে ৩ হাজার ৩১৬টি ট্রাকে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫২ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। চাল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য হওয়ায় আমরা দ্রুত ছাড়করণের ব্যবস্থা করছি।"