নভেম্বর ২৫, ২০২৫, ০২:৪৫ পিএম
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) আবার কিছুটা কমেছে। রাশিয়ার ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা সত্ত্বেও বাজারে এমন একটি ধারণা তৈরি হয়েছে যে, আগামী বছর বিশ্বে জ্বালানি তেলের সরবরাহ চাহিদার চেয়ে বেশি হবে, যা দাম কমার মূল কারণ।
মঙ্গলবার লেনদেনের সময় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৭ সেন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৬৩ দশমিক ১০ ডলার। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) জ্বালানি তেলের দাম ২৩ সেন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ৬১ ডলার। এর আগের দিন সোমবার সামান্য বাড়লেও মঙ্গলবার আবার দাম কমে যায়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালে বিশ্বে জ্বালানি তেলের সরবরাহ চাহিদার চেয়ে বেশি হবে—এই পূর্বাভাস বাজারকে নিম্নমুখী চাপের মধ্যে রাখছে।
ভারতের রিলায়েন্সসহ কিছু বড় রিফাইনারি নতুন নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানি কমিয়ে দিয়েছে। ফলে রাশিয়া এখন অতিরিক্ত জ্বালানি তেল চীনে বিক্রি বাড়ানোর চেষ্টা করছে।ডয়েচে ব্যাংকের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে জ্বালানি তেলের বাজারে প্রতিদিন কমপক্ষে ২০ লাখ ব্যারেল উদ্বৃত্ত থাকতে পারে এবং ২০২৭ সালেও ঘাটতির সম্ভাবনা কম।তবে জ্বালানি তেলের বাজার এখন দুটি বিপরীতমুখী আশঙ্কার মধ্যে এক ধরনের টানাপোড়েনে রয়েছে। একদিকে রয়েছে:
সরবরাহ উদ্বৃত্তের আশঙ্কা, যা দাম কমাচ্ছে।অন্যদিকে, সুদের হার কমার সম্ভাবনা বাজারে নতুন আশা জাগাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে ডিসেম্বরের মুদ্রানীতি বৈঠকে সুদের হার কমলে অর্থনীতি চাঙ্গা হবে এবং এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের চাহিদা বাড়বে। অর্থাৎ, সরবরাহের বাড়তি চাপ এবং চাহিদার সম্ভাব্য বৃদ্ধির আশঙ্কার মাঝেই দুলছে বিশ্ববাজার।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন