রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

১৬ দিনে ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স, রিজার্ভ সাড়ে ৩৪ বিলিয়ন

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৬:৪০ পিএম

১৬ দিনে ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স, রিজার্ভ সাড়ে ৩৪ বিলিয়ন

রেমিট্যান্সে বড় উল্লম্ফন।

ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ১৬ দিনেই দেশে ১৮০ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই প্রবাহ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২১ শতাংশ বেশি। প্রবাসীদের পাঠানো এই আয়ের ইতিবাচক প্রভাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। 

বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারে। গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে দেশের আর্থিক খাতের এই ইতিবাচক পরিবর্তনের কথা জনসমক্ষে আনে।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৬ দিনে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল মাত্র ১৪৯ কোটি ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষ করে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি এক দিনেই দেশে এসেছে ১৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। 

রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ বাড়ায় বাজার থেকে ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা দেশের সামগ্রিক বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি যেখানে মোট রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন ডলার, তা কয়েক দিনের ব্যবধানেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বা আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম ৬ অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে। 

এর আগে গত সপ্তাহে এই হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর বিষয়ে প্রবাসীদের উৎসাহ বৃদ্ধি এবং সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগের ফলে প্রবাসী আয়ে এই গতি ফিরেছে। নিয়মিতভাবে এই হারে রেমিট্যান্স আসতে থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সংকট অনেকটাই কেটে যাবে এবং আমদানির ব্যয় মেটানো সহজ হবে। জাতীয় অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।