মার্চ ২৪, ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন যে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে কৃষিকে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে। মঙ্গলবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি ও পরিবেশ বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় কৃষিকাজের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা সম্ভব হলে দেশের খাদ্যের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত উৎপাদন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
গ্রামীণ অর্থনীতির বুনিয়াদ যে কৃষির ওপর দাঁড়িয়ে আছে সে বিষয়টি উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান যে সরকার এই খাতকে ঢেলে সাজানোর জন্য একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এর আওতায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। এছাড়া কৃষি উৎপাদন বাড়াতে এবং সেচ ব্যবস্থা উন্নত করতে ইতিমধ্যে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় চালু করা হয়েছে। মন্ত্রী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেন যে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ দেশ রেখে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদের সবার।
তাই সুষম খাদ্যের জোগান দিতে এবং খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষি ও খাদ্য বিভাগের প্রত্যেককে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন যে কৃষিকে এগিয়ে নিতে গেলে দক্ষতার পাশাপাশি কর্মকর্তাদের নৈতিকতার পরিচয় দিতে হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় এবং দেশকে সবুজায়ন করতে সরকার দেশব্যাপী একটি বড় ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিতে যাচ্ছে। এই উদ্যোগকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফিরোজ সরকারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন