রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

হাবিপ্রবির নতুন প্রো-ভিসি হিসেবে যোগদান করলেন অধ্যাপক ড. মো. নওশের ওয়ান

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই ২৯, ২০২৬, ০১:০৫ এএম

হাবিপ্রবির নতুন প্রো-ভিসি হিসেবে যোগদান করলেন অধ্যাপক ড. মো. নওশের ওয়ান

ছবি: দিনাজপুর টিভি নিজস্ব প্রতিবেদক

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) নতুন প্রো-ভিসি (উপ-উপাচার্য) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন ইংরেজি বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. নওশের ওয়ান। মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে চার বছরের জন্য তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। নির্ধারিত প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী মঙ্গলবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তার নতুন পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রশাসনিক গতিশীলতা আনতে এই নিয়োগকে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।নবনিযুক্ত প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. নওশের ওয়ানের জন্ম ১৯৭৭ সালে দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার দক্ষিণ বাসুদেবপুর গ্রামে। তার বাবা মরহুম মো. আব্দুল খালেক (মাস্টার) এবং মাতা শাহিদা খাতুন। শিক্ষাজীবনে তিনি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ফুলবাড়ীর সুজাপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯২ সালে প্রথম বিভাগে এসএসসি এবং ফুলবাড়ী সরকারি কলেজ থেকে ১৯৯৪ সালে প্রথম বিভাগে এইচএসসি পাস করেন। 

পরবর্তীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদ থেকে ১৯৯৮ সালে ইংরেজিতে বিএ অনার্স এবং ১৯৯৯ সালে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপরে তিনি হাবিপ্রবি থেকে এক বছর মেয়াদি পিজিডি ইন আইসিটি এবং পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।শিক্ষা ও গবেষণামূলক কর্মজীবনে তিনি ২০০৪ সালে হাবিপ্রবিতে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন এবং পর্যায়ক্রমে ২০০৮ সালে সহকারী অধ্যাপক, ২০১২ সালে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০১৭ সালে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। 

কর্মজীবনে তিনি ৩ জন মাস্টার্স শিক্ষার্থীর সুপারভাইজার এবং ১০ জন শিক্ষার্থীর কো-সুপারভাইজার হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশি-বিদেশি সমাদৃত বিভিন্ন গবেষণা জার্নালে তার ১৮টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে চেয়ারম্যান ও অনুষদের ডিন হিসেবেও অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।বিশ্ববিদ্যালয়টির সার্বিক একাডেমিক ও প্রশাসনিক অগ্রযাত্রায় নতুন এই নেতৃত্বে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে প্রত্যাশা করছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।