অক্টোবর ৩১, ২০২৬, ১০:২১ এএম
এইচএসসির ফল প্রকাশ আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চলতি ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল সংগ্রহের ক্ষেত্রে এবার এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। মুঠোফোনে খুদে বার্তা বা এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল পেতে পরীক্ষার্থীদের এবার আগের পরিচিত নম্বরের পরিবর্তে সম্পূর্ণ নতুন একটি নম্বরে বার্তা পাঠাতে হবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ বছর থেকে এসএমএসে ফল জানতে ১৬১৪০ নম্বরে বার্তা পাঠাতে হবে।
বিগত বছরগুলোতে শিক্ষার্থীরা ১৬২২২ নম্বরে খুদে বার্তা পাঠিয়ে ফলাফল সংগ্রহ করতেন। তবে এবার সেই দীর্ঘদিনের প্রচলিত নম্বরটি পরিবর্তন করে নতুন নম্বর নির্ধারণ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
মুঠোফোনে বার্তা পাঠিয়ে দ্রুত ফলাফল পেতে পরীক্ষার্থীদের একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
প্রথমে মুঠোফোনের মেসেজ অপশনে প্রবেশ করে ইংরেজি বড় অক্ষরে লিখতে হবে এইচএসসি। এরপর একটি ফাঁকা স্থান বা স্পেস দিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি ইংরেজি অক্ষর লিখতে হবে। পুনরায় একটি স্পেস দিয়ে প্রার্থীর রোল নম্বর লিখে আরেকটি স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর ২০২৬ উল্লেখ করতে হবে। সবশেষে সম্পূর্ণ বার্তাটি পাঠাতে হবে ১৬১৪০ নম্বরে।
উদাহরণ হিসেবে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কোনো পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর যদি ১২৩৪৫৬ হয়, তবে বার্তা লেখার ঘরে লিখতে হবে HSC DHA 123456 2026 এবং তা পাঠাতে হবে ১৬১৪০ নম্বরে। বার্তা পাঠানোর পরপরই একই নম্বরে ফিরতি এসএমএসে পরীক্ষার্থীর প্রাপ্ত ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
আজ বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ফল প্রকাশের এই কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে।
খুদে বার্তার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা অনলাইনে শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে এবং নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ড থেকেও ফল সংগ্রহ করতে পারবেন।
তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ডের কোনো আঞ্চলিক কার্যালয় কিংবা দৈনিক পত্রিকার কার্যালয় থেকে কোনো অবস্থাতেই সরাসরি ব্যক্তিগত ফলাফল সংগ্রহের সুযোগ থাকবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
চলতি বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেন।
গত ২ জুলাই দেশব্যাপী একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হয়। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুসারে ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সেই স্থগিত পরীক্ষাগুলো যথাযথভাবে গ্রহণ করে পুরো পরীক্ষার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন