শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬,
ঢাকা টেস্টের রোমাঞ্চ

ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের লক্ষ্য ক্যারিবীয়দের জয়ের জন্য দরকার ১৭০ রান

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ৩১, ২০২৬, ১১:২৪ এএম

ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের লক্ষ্য ক্যারিবীয়দের জয়ের জন্য দরকার ১৭০ রান

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ১৭০ রান। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট জয়ের জন্য ক্যারিবীয়দের সামনে এই লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ সবকটি উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ১৪২ রান।

গতকাল সংবাদ সম্মেলনে এসে সবাইকে নিজের ওপর ও দলের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছিলেন নাঈম হাসান।

কথার সাথে কাজের শতভাগ মিল রেখে ব্যাট হাতে একাই লড়াই চালিয়ে যান এই অলরাউন্ডার। ব্যক্তিগত ৫২ রানে আউট হওয়ার আগে একাই দলকে টেনে নিয়ে যান ১৪২ রান পর্যন্ত।

শনিবার সকালে ৬ উইকেটে ৭৯ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের ব্যাটিং শুরু করেছিল বাংলাদেশ।

সকালের সেশনে টেলএন্ডারদের ব্যাটে ভর করে আরও ৬৩ রান যোগ করতে সক্ষম হয় স্বাগতিকেরা। এর ফলে প্রথম ইনিংসের লিড মিলিয়ে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের সমীকরণ দাঁড়ায় ১৭০ রানে।

টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে চতুর্থ ইনিংসে সর্বনিম্ন ২০৪ রান প্রতিহত করে ম্যাচ জেতার অতীত রেকর্ড রয়েছে বাংলাদেশের।

২০১৮ সালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই সেই স্মরণীয় জয় পেয়েছিল টাইগাররা। এবার মিরপুরের উইকেটে ক্যারিবীয়দের থামাতে হলে নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে নতুন করে ইতিহাস তৈরি করতে হবে।

দিনের বেশিরভাগ রানই এসেছে নাঈম হাসানের ব্যাট থেকে।

আগের দিনের ১৮ রান নিয়ে দিন শুরু করা নাঈম শেষ পর্যন্ত লড়াকু মেজাজে খেলে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত ৫২ রান করে তিনি আউট হন।

এর আগে দিনের শুরুতেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

দিনের প্রথম ওভারের শেষ বলে জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে রোস্টন চেজের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন জাকের আলী। মাথায় আঘাত পাওয়া মুমিনুল হকের বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে এই ব্যাটার করেন ২২ রান।

জাকেরের বিদায়ের পর হাসান মাহমুদকে সঙ্গে নিয়ে ২৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে তোলেন নাঈম। দলীয় ১১০ রানে হাসান মাহমুদকে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলে মাঠছাড়া করেন ওয়ারিক্যান।

এক প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতন হলেও অন্য প্রান্তে অনড় ছিলেন নাঈম।

তার দৃঢ়তায় বাংলাদেশের সামগ্রিক লিড দেড়শ ছাড়িয়ে যায়। লিড যখন ১৫৪ রান, তখন রোস্টন চেজের বলে লেগ বিফোর হয়ে সাজঘরে ফেরেন ব্যক্তিগত ৮ রান করা তাইজুল ইসলাম।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন অফস্পিনার রোস্টন চেজ। তিনি একাই শিকার করেন ৫টি উইকেট। এছাড়া বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিক্যান নেন ৪টি উইকেট।