অক্টোবর ২৯, ২০২৬, ১২:১৬ পিএম
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের চমৎকার ব্যাটিংয়ের স্বস্তি দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনেই মিলিয়ে গেল। ক্যারিবীয় বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিকানের ঘূর্ণিতে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে তিনশ রানের আগেই ২৭২ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ।
এক সেশনেই গুঁড়িয়ে গেল বাংলাদেশের ইনিংস।
আজ বৃহস্পতিবার সকালের সেশনে মাত্র ৫১ রানের ব্যবধানে শেষ সাতটি উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ক্যারিবীয় স্পিনার ওয়ারিকান একাই ৫৩ রান দিয়ে তুলে নেন পাঁচ উইকেট, যা তার টেস্ট ক্যারিয়ারের চতুর্থ পাঁচ উইকেট শিকারের নজির।
অথচ দিনের শুরুটা ছিল দারুণ আনন্দের। দিনের দ্বিতীয় বলেই আগের দিনের অপরাজিত ওপেনার সাদমান ইসলাম পৌঁছে যান তার টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরিতে। কিন্তু মাইলফলক ছোঁয়ার পরপরই বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি এই বাঁহাতি ব্যাটার। অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার জশুয়া বিশপের বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ২৩৪ বলে ১১টি চারের সাহায্যে ১০৫ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন সাদমান।
এরপর মাঠে নামেন আগের দিন ৪২ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হওয়া তাওহিদ হৃদয়। তবে আজ তিনি নামের পাশে কোনো রান যোগ করতে পারেননি। বিশপের বলে অযথা উড়িয়ে মারতে গিয়ে সরাসরি বোল্ড হয়ে ফেরেন এই তরুণ ব্যাটার।
ষষ্ঠ উইকেটে বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালান লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। এই দুজন মিলে প্রতিরোধ গড়ে স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ৩২ রান। তবে ওয়ারিকানের একটি নিখুঁত আর্ম ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে ১৫ রান করা মিরাজ ফিরতেই শুরু হয় চূড়ান্ত ধস।
সেখান থেকে মাত্র ১৯ রানের ব্যবধানে শেষ পাঁচটি উইকেট বিলীন হয়ে যায়। ফাস্ট বোলার শামার জোসেফ একে একে তুলে নেন হাসান মাহমুদ ও নাঈম হাসানকে। আর শেষ দিকে ওয়ারিকান পরপর দুই বলে তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামকে সাজঘরে ফেরত পাঠিয়ে ইনিংসের ইতি টানেন।
অন্য প্রান্তে বুক চিতিয়ে লড়াই করে লিটন কুমার দাস ৮৮ বলে চারটি চারে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশ সব মিলিয়ে নিজেদের দলীয় স্কোরে যোগ করতে পেরেছে মাত্র ৫৯ রান।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন