বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬,
নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন

দিনাজপুরে নারীর ক্ষমতায়নে ভাবনার ফেইম প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

মো: মামুনুর রশিদ

অক্টোবর ২৯, ২০২৬, ০১:২৭ পিএম

দিনাজপুরে নারীর ক্ষমতায়নে ভাবনার ফেইম প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

ছবি: দিনাজপুর টিভি

দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন শরিফ বলেছেন, নারীদের উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করতে পারলে তাদের সামগ্রিক ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে অনগ্রসর ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে পারলে তাদের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত হবে।

প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই নারীদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার দিনাজপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বেসরকারি সংস্থা ভাবনা (সমাজ ও মানবিক বিকাশ)-এর আয়োজনে এক প্রকল্প অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতায় এবং এজেন্সি ফ্রাঞ্চাইজ ডি ডেভেলপমেন্টের (এএফডি) অর্থায়নে টেকসই জীবিকা ও বাজার সংযোগের মাধ্যমে নারীর রূপান্তরমূলক অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন (ফেইম) শীর্ষক এই প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ইউএনও আরও বলেন, কাজের দক্ষতার চেয়ে সঠিক প্রশিক্ষণ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে না পারলে নারীর ক্ষমতায়ন বা অর্থনৈতিক মুক্তি পুরোপুরি অর্জন করা সম্ভব নয়। পাশাপাশি মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে এনে সমাজের মূলধারায় পুনর্বাসনে সংস্থাটির ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।

ভাবনার নির্বাহী পরিচালক মো. মুস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. ওহেদুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা গোলাম আজম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুরভী আক্তার, দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সহসভাপতি আজহারুল আজাদ জুয়েল, সাংবাদিক কাশী কুমার দাস এবং জুট ওয়ার্ল্ডের নির্বাহী পরিচালক শিউলী আক্তার যুথী।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রকল্পের লক্ষ্য ও রূপরেখা তুলে ধরে ধারণাপত্র পাঠ করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী নাজমিন বেগম।

সভাপতির বক্তব্যে ভাবনার নির্বাহী পরিচালক মো. মুস্তাফিজুর রহমান জানান, স্থানীয় কড়া এবং ওরাওঁ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীসহ প্রান্তিক নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন, উৎপাদনশীল সম্পদে অধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাজার সংযোগ সম্প্রসারণ করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া নারীরা নিজেদের জীবিকা নির্বাহের পাশাপাশি স্বাধীন মতামত ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ পাবেন।