অক্টোবর ৩১, ২০২৬, ১২:১১ পিএম
ঢাকা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের ঘোষিত ফলাফলে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এই চিত্র উঠে এসেছে। গত ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে এই বোর্ডে পাসের হার ছিল ৬৪ দশমিক ৬২ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে বোর্ডে পাসের হার কমেছে ২ দশমিক ৮২ শতাংশ পয়েন্ট।
শনিবার বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল উদ্বোধন করা হয়।
ফলাফল কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ডক্টর আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এরপর কেন্দ্রীয়ভাবে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, নিজ নিজ পরীক্ষাকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ড এবং মুঠোফোনে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফল উন্মুক্ত করা হয়।
সারাদেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের সামগ্রিক ফলাফলে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।
মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী।
সর্বোচ্চ মেধার স্বীকৃতি অর্থাৎ জিপিএ পাঁচ অর্জন করেছেন মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন পরীক্ষার্থী।
বিগত বছরের তুলনায় এবার শীর্ষ ফল ও সামগ্রিক পাসের হারে বড় পতন দেখা গেছে। গত বছর এইচএসসি ও সমমানে জিপিএ পাঁচ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী।
এছাড়া গতবার জাতীয় পর্যায়ে পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ, যা এবার ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ পয়েন্ট কমে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে নেমে এসেছে।
চলতি বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে সর্বমোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৭ হাজার ৬৪৯ জন এবং ছাত্রী ছিলেন ৬ লাখ ৩৩ হাজার ১৪৯ জন।
সারাদেশের ২ হাজার ৭৬০টি নির্ধারিত কেন্দ্রে এবারের এই মূল্যায়ন পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গত ২ জুলাই থেকে দেশজুড়ে একযোগে শুরু হয়েছিল।
পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী গত ৮ আগস্ট মূল পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সেই স্থগিত পরীক্ষাগুলো গ্রহণ করা হয় এবং গত ৯ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা পর্বের সমাপ্তি ঘটে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন