রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাড়ে তিন হাজার কোটির প্রকল্প পাস

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ১১:১৬ পিএম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাড়ে তিন হাজার কোটির প্রকল্প পাস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার একটি বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৫৪৩তম সভায় এই মেগা প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন মজুমদার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রকল্পটি সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছর থেকে শুরু করে পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা কার্যক্রম এবং সার্বিক অবকাঠামো খাতে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

প্রস্তাবিত এই উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে তিনটি নতুন ছাত্র হল এবং তিনটি নতুন ছাত্রী হল নির্মাণ করা হবে। একইসঙ্গে, পুরনো ও জরাজীর্ণ শেরে বাংলা ফজলুল হক হল সম্পূর্ণ পুনর্নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও, বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্র, বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর, জুবেরী হাউসসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনের ব্যাপক সংস্কার ও ক্ষেত্রবিশেষে পুনর্নির্মাণ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অত্যাধুনিক ইনোভেশন হাব প্রতিষ্ঠা এবং ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর উন্নয়ন ও সংস্কার কাজও এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন হলগুলো নির্মাণ সম্পন্ন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত সাত হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর আবাসনের সুব্যবস্থা হবে। পাশাপাশি, উচ্চতর গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম সংগ্রহ করা গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মান ও সক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হবে বলে কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মাঈন উদ্দীন বলেন, ‘আমরা অনেকগুলো নতুন হল, অ্যাকাডেমিক ভবন এবং রিসার্চ সেন্টার নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় বড় কাজগুলো সাধারণত এভাবেই হয়ে থাকে। প্রথমে পরিকল্পনা সাজিয়ে পাঠানোর পর সরকার চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে তবেই কাজ শুরু করা যায়। আমরা আমাদের পরিকল্পনাগুলো ডিপিপির মাধ্যমে সাবমিট করেছি, যাতে এটি একনেক-এ পাশ করানো যায়। একনেক-এ প্রকল্পটি হুবহু পাশ হতে পারে অথবা কিছু সংশোধনীসহ পাশ হতে পারে।’