শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
রূপালি পর্দার উত্থান

দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় ইতিহাস: হাজার কোটি পেরোলেন মামিথা

বিনোদন ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ০৭:২০ পিএম

দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় ইতিহাস: হাজার কোটি পেরোলেন মামিথা

দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়ে বক্স অফিসে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন তরুণ অভিনেত্রী মামিথা বাইজু। মালয়ালম ও তামিল—উভয় ভাষার চলচ্চিত্রে তাঁর সাম্প্রতিক কাজগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিপুল সাড়া ফেলেছে। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, এই তারকার অভিনীত সিনেমাগুলোর সম্মিলিত বৈশ্বিক টিকিট বিক্রি ইতিমধ্যে এক হাজার কোটি রুপির মাইলফলক অতিক্রম করেছে।

আঞ্চলিক সীমানা পেরিয়ে সর্বভারতীয় দর্শকের মন জয় করে নিয়েছেন এই প্রতিভাবান অভিনেত্রী। চলতি বছরে তাঁর অভিনীত পরপর তিনটি চলচ্চিত্র বিশ্বব্যাপী দুইশত কোটি রুপির বেশি আয় ঘরে তুলেছে। এর মধ্যে অভিনেতা নিভিন পলির বিপরীতে অভিনীত মালয়ালম চলচ্চিত্র বেথলেহেম কুডুম্বা ইউনিট বিশ্ববাজারে ৩১০ কোটি রুপি আয় করে মালয়ালম সিনেমার ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী ছবির খেতাব পেয়েছে। এ ছাড়া অভিনেতা বিজয়ের রাজনৈতিক অ্যাকশনধর্মী ছবি জানা নায়কন বিশ্বব্যাপী ৩১০ কোটি রুপির বেশি এবং অভিনেতা সুরিয়ার সাথে পারিবারিক ঘরানার তামিল ও তেলেগু ভাষার সিনেমা বিশ্বনাথ অ্যান্ড সন্স দুইশত কোটি রুপির বেশি ব্যবসা করেছে।

এর আগেও মামিথা বাইজু অভিনীত চলচ্চিত্র দর্শক ও সমালোচকদের কাছে সমাদৃত হয়। তাঁর আলোচিত ছবি প্রেমালু বক্স অফিস থেকে প্রায় ১৩০ কোটি রুপি এবং ডুড নামের আরেকটি চলচ্চিত্র প্রায় ১১৫ কোটি রুপি আয় করে দর্শকদের নজর কাড়ে। আঞ্চলিক চলচ্চিত্রের গণ্ডি পেরিয়ে বড় বাজেটের তামিল ও মালয়ালম মূলধারার চলচ্চিত্রে নিজের সাবলীল অভিনয় ও গ্রহণযোগ্যতা দিয়ে তিনি বিশেষ পরিচিতি পেয়েছেন। মাত্র এক বছরের মধ্যে মুক্তি পাওয়া একাধিক সিনেমা শতকোটি রুপির ক্লাবে জায়গা করে নেওয়ায় ভারতীয় চলচ্চিত্র বাণিজ্যের শীর্ষ আলোচনায় এখন তাঁর নাম। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, ধারাবাহিক এই আর্থিক সাফল্য ও জনপ্রিয়তা চলতি সময়টিকে তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম সোনালী অধ্যায়ে রূপ দিয়েছে।