রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
নাশিদ

জামায়াতের সাথে চলো: একটি জাগরণী গান, যা শুধু কানে নয়, হৃদয়ে নাড়া দেয়

শাহিন ইসলাম

অক্টোবর ৯, ২০২৫, ১০:৫১ পিএম

জামায়াতের সাথে চলো: একটি জাগরণী গান, যা শুধু কানে নয়, হৃদয়ে নাড়া দেয়

সম্প্রতি দেশের সংগীত জগতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে "জামায়াতের সাথে চলো" শিরোনামের একটি গান, যা এখন মিউজিক ভিডিও আকারে দর্শক-শ্রোতাদের সামনে এসেছে। এই জাগরণী গানটি কেবল কানে নয়, হৃদয়েও নাড়া দেয় বলে দাবি করা হচ্ছে, যা তারুণ্যের এক জাগ্রত আহ্বান এবং আলোর ডাক হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে।

গানটির কথা লিখেছেন আবু তাহের বেলাল এবং এর সুর করেছেন মাহমুদ ফয়সাল, যিনি নিজেও কণ্ঠশিল্পীদের একজন। রিদওয়ান, নোমান, জিলানী, হাফিজ, মারুফ এবং মাহমুদ ফয়সাল—এই একঝাঁক তরুণ ও প্রতিভাবান কণ্ঠশিল্পী গানটিতে তাদের আবেগঘন পরিবেশনা দিয়ে শ্রোতাদের মন জয় করেছেন।

মিউজিক ভিডিওটিতে অভিনয় করেছেন সাইফুল ইসলাম মিঠু, আব্দুল্লাহ ভুইঁয়া, ফজলুল হক রণি, মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, মো: ওমর হোসেন, জাকির আহমেদ, ওমর ফারুক, মনির হোসাইন, মো: হাসিব, এবং নাজমুল হুদা। তাদের শক্তিশালী অভিনয় গানটির বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সহায়ক হয়েছে।

ভিডিওর প্রযোজনা ও কারিগরি দিকগুলোও বেশ সুচারুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গানটির রেকর্ডিং হয়েছে ইচ্ছে টিউন স্টুডিওতে, যেখানে আহমেদ রাসেল সাউন্ড ডিজাইন ও মিক্স মাস্টারের দায়িত্ব পালন করেছেন। আবু জাফর রায়হান সাব-টাইটেল দিয়েছেন, এবং আলমগির হোসাইন লাইটের কাজ করেছেন, যেখানে মো: সোহাইল মেকাপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন। বিএফডিসি খাবার সরবরাহ করেছে, এবং কামরুল হাসান প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সিনেমাটোগ্রাফির দায়িত্বে ছিলেন জহির খান, আর সম্পাদনা, রং এবং পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো করেছেন নাজমুল মুহাম্মাদ। আজহারুল ইমরান সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন।

এই গানটি সফল করতে বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে মোসাদ্দেক চৌধুরী, মোহাম্মদ কালাম, মো: জুনায়েদ, মো: মাসুম বিল্লাহ এবং বাংলাদেশ কুরান সুন্নাহ পরিষদ, কাতার-কে। মোদাস্সের চৌধুরী ও ফাওজিয়া রুফাইদার ভালোবাসা ও দোয়াও এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত। ভিডিওটির শুরুতেই নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং দুর্নীতির মতো সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে একটি কথোপকথন দেখানো হয়েছে, যা গানটির বার্তা এবং প্রেক্ষাপটকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। 

এটি সমাজের অন্যায়-অবিচার এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের স্বপ্নের কথা বলে, যেখানে কোরআনের ছায়াতলে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানানো হয় এবং শহীদের রক্তের ঋণ শোধ করার অঙ্গীকার করা হয়। সব মিলিয়ে, এই মিউজিক ভিডিওটি কেবল একটি গান নয়, বরং একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে, যা বর্তমানে দেশের বিনোদন এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে উভয় ক্ষেত্রেই নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।