আগস্ট ৪, ২০২৬, ০১:১২ পিএম
স্ট্রোক সাধারণত হঠাৎ আঘাত হানলেও দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণেই মূলত এর ঝুঁকি তৈরি হয়। দৈনন্দিন কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে এই প্রাণঘাতী পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।এর মধ্যে সবচেয়ে জরুরি হলো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা।
উচ্চ রক্তচাপ দীর্ঘ সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকলে মস্তিষ্কের রক্তনালিতে বাড়তি চাপ পড়ে এবং বড় ধরনের ক্ষতির শঙ্কা তৈরি হয়। তাই নিয়মিত রক্তচাপ পরিমাপের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শে চলা উচিত। সেই সঙ্গে সপ্তাহে অন্তত দেড় শ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক পরিশ্রম করা প্রয়োজন। প্রতিদিন দ্রুত হাঁটা, সাইকেল চালানো বা সাঁতারের মতো শরীরচর্চা রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। পাশাপাশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ধূমপান থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকতে হবে।
খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমেও স্ট্রোক প্রতিরোধ করা যায়। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বেশি করে শাকসবজি, ফল, ডাল ও আঁশজাতীয় খাবার রাখা আবশ্যক। বিপরীতে অতিরিক্ত লবণ, চিনি, ট্রান্স ফ্যাট এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণে রক্তনালিতে চর্বি জমে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়।
সবচেয়ে বড় সতর্কতা হলো স্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণগুলো অবহেলা না করা। কথা জড়িয়ে যাওয়া, শরীরের এক পাশ দুর্বল বা অবশ হওয়া, মুখ বেঁকে যাওয়া, হঠাৎ ঝাপসা দেখা কিংবা ভারসাম্য হারানোর মতো সংকেত দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। দ্রুত চিকিৎসা শুরু হলে স্থায়ী জটিলতা কমানো সম্ভব।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন