রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

স্তনের টিউমারের কারণ, ঝুঁকি ও লক্ষণসমূহ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

আগস্ট ১২, ২০২৬, ১২:৪০ পিএম

স্তনের টিউমারের কারণ, ঝুঁকি ও লক্ষণসমূহ

Ai - ছবি

স্তনে গুটি বা টিউমার দেখা দিলে স্বাভাবিকভাবেই অনেকের মনে ক্যানসারের আশঙ্কা জেগে ওঠে। তবে চিকিৎসকদের মতে, স্তনের সব টিউমার ক্যানসারজাতীয় নয়। এর মধ্যে কিছু টিউমার নিরীহ প্রকৃতির বা বিনাইন, আবার কিছু ক্যালিগন্যান্ট বা ক্যানসারযুক্ত হতে পারে। তাই স্তনে এ ধরনের কোনো পরিবর্তন লক্ষ করলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত পরীক্ষা করিয়ে টিউমারের প্রকৃতি নির্ণয় করা অত্যন্ত জরুরি।

স্তনের কোষ যখন স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়, তখন সেখানে টিউমার সৃষ্টি হয়।সাধারণত স্তনের টিউমার বিনাইন ও ম্যালিগন্যান্ট এই দুই প্রধান ভাগে বিভক্ত। বিনাইন টিউমার ক্যানসার নয় এবং এটি শরীরের অন্য অংশে ছড়ায় না, যার একটি পরিচিত উদাহরণ ফাইব্রোঅ্যাডেনোমা। অপরদিকে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার হলো ক্যানসারজাতীয়, যা আশপাশের টিস্যুতে প্রবেশ করে শরীরের অন্যান্য অঙ্গে ছড়িয়ে পড়তে পারে। 

স্তনে নতুন গুটি অনুভূত হওয়া, নিপল ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া, বগলে গুটি দেখা দেওয়া কিংবা ত্বক কুঁচকে যাওয়ার মতো লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।রোগ নির্ণয়ের প্রধান ধাপগুলোর মধ্যে রয়েছে শারীরিক পরীক্ষা, আলট্রাসনোগ্রাম, ম্যামোগ্রাম এবং প্রয়োজনে বায়োপসি।

ছোট ও কম ঝুঁকির বিনাইন টিউমার অনেক সময় চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়, তবে বড় বা সন্দেহজনক টিউমারের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। প্যাথলজি রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে অনেক সময় মার্জিন নিশ্চিত করতে দ্বিতীয়বার বা তৃতীয়বার সার্জারি লাগতে পারে, যা সবসময় চিকিৎসা ব্যর্থতার লক্ষণ নয়। সুস্থ জীবনযাপন, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং সচেতনতাই এই ধরনের ঝুঁকি অনেকাংশে কমাতে পারে।