রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
Xiaomi 17 Pro

Xiaomi 17 Pro Max vs iPhone 17 Pro Max: হার্ডওয়্যারে কে এগিয়ে, দামে কত পার্থক্য?

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫, ০৪:৩৮ পিএম

Xiaomi 17 Pro Max vs iPhone 17 Pro Max: হার্ডওয়্যারে কে এগিয়ে, দামে কত পার্থক্য?

ছবি - সংগৃহীত

ফ্ল্যাগশিপের লড়াইয়ে Xiaomi 17 Pro Max vs iPhone 17 Pro Max। চিপসেট, ক্যামেরা, ব্যাটারি ও দামে কে কাকে টেক্কা দিল? স্পেসিফিকেশন ও ফিচারের বিস্তারিত তুলনা।

স্মার্টফোন বাজারে শীর্ষস্থানের লড়াইয়ে চীন এবং আমেরিকার দুই টেক-জায়ান্ট অ্যাপল ও শাওমি আবারও মুখোমুখি। অ্যাপলের সদ্য-লঞ্চ হওয়া iPhone 17 Pro Max-কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানাতেই শাওমি বাজারে এনেছে তাদের Xiaomi 17 Pro Max। শাওমির শীর্ষ কর্মকর্তারা সরাসরি অ্যাপলের ফ্ল্যাগশিপের সঙ্গে তাদের নতুন মডেলের তুলনা করছেন, যা এই দুই Xiaomi 17 Pro Max vs iPhone 17 Pro Max ডিভাইসের মধ্যেকার পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে। এবার দেখা যাক, দাম, হার্ডওয়্যার এবং উদ্ভাবনের দিক থেকে কে কাকে টেক্কা দিচ্ছে।

দামের দিক থেকে এখানে একটি বড় পার্থক্য দেখা যায়। চীনা বাজারে Xiaomi 17 Pro Max-এর দাম শুরু হয়েছে প্রায় ৬,০০০ থেকে ৭,০০০ ইউয়ানের মধ্যে, যা আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্সের তুলনায় যথেষ্ট কম। শাওমি বাজারের একটি বড় অংশ ধরতে কম দামের কৌশল নিয়েছে, যেখানে Apple A19 Pro চিপসেটযুক্ত iPhone 17 Pro Max তার প্রিমিয়াম দাম ধরে রেখেছে।

হার্ডওয়্যার এবং ফিচারের দিকে তাকালে শাওমি বেশ কিছু উদ্ভাবনী ফিচার যোগ করেছে। Xiaomi 17 Pro Max-এ রয়েছে ৭,৫০০ mAh-এর বিশাল ব্যাটারি এবং ১০০W ওয়্যার্ড চার্জিং সাপোর্ট, যা আইফোনের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। এছাড়া, শাওমি মডেলে একটি বিশেষত্ব হলো পেছনের ক্যামেরা মডিউলে যুক্ত ২.৯ ইঞ্চির সেকেন্ডারি ডিসপ্লে, যা নোটিফিকেশন দেখা, মিউজিক কন্ট্রোল এবং রিয়ার ক্যামেরা দিয়ে সেলফি তোলার সুবিধা দেয়।

প্রসেসরের ক্ষেত্রে, শাওমি ব্যবহার করেছে কোয়ালকমের Snapdragon 8 Elite Gen 5 চিপসেট, অন্যদিকে আইফোন চলছে অ্যাপলের নিজস্ব A19 Pro চিপে। ক্যামেরা বিভাগে উভয় ফোনেই ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপ থাকলেও শাওমি এনেছে লাইকা টিউন করা ৫০ মেগাপিক্সেলের তিনটি সেন্সর, যেখানে আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স-এ রয়েছে তিনটি ৪৮ মেগাপিক্সেল সেন্সর।

যদিও ব্যাটারি ও চার্জিংয়ে শাওমি এগিয়ে, তবে সামগ্রিক পারফরম্যান্স এবং iOS 26-এর মসৃণ অভিজ্ঞতার কারণে আইফোন এখনও প্রিমিয়াম ইউজারদের কাছে পছন্দের শীর্ষে থাকবে।