জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০২:২৪ পিএম
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে সহিংস অভিযান অব্যাহত থাকলে দেশটির ওপর বিমান হামলার (Airstrike) বিষয়টিও যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনায় রাখছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ইরানের রাস্তায় সাধারণ মানুষের হতাহতের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত গভীর উদ্বেগের সাথে পর্যবেক্ষণ করছে।প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি ব্যাখ্যা করে লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো—তিনি সব সময় সব বিকল্প খোলা রাখেন।
সেই বিকল্পগুলোর মধ্যেই বিমান হামলাও রয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, ট্রাম্প প্রশাসন সবসময়ই প্রথমে কূটনৈতিক সমাধানকেই অগ্রাধিকার দেয়।
হোয়াইট হাউসের বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতির দুটি দিক ফুটে উঠেছে: ১. সামরিক চাপ: বিক্ষোভকারীদের হত্যা করে তেহরান ‘লাল রেখা’ অতিক্রম করেছে বলে মনে করেন ট্রাম্প। তাই বিমান হামলার মতো ‘খুব শক্ত বিকল্প’ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ২. কূটনৈতিক চ্যানেল: আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক না থাকলেও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের মধ্যে যোগাযোগের একটি গোপন চ্যানেল চালু রয়েছে।ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এই গোপন যোগাযোগের বিষয়টি স্বীকার করেছে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানের শাসকগোষ্ঠী প্রকাশ্যে যা বলছে, গোপন বার্তায় তারা ভিন্ন সুরে কথা বলছে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেই বার্তাগুলো গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করছেন।এদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্যমতে, ইরানে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকায় সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হলেও নিহতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। লেভিট বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তেহরানের রাস্তায় মানুষকে হত্যা হতে দেখতে চান না, কিন্তু দুঃখজনকভাবে বর্তমানে সেটাই ঘটছে।”


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন