মার্চ ৯, ২০২৬, ১১:২৭ পিএম
উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনীকে আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। সোমবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্র-সমর্থিত গণমাধ্যম এবং কিম জং উনের নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই অভিনন্দন বার্তা দেওয়া হয়।
কিম জং উন তার বার্তায় ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনীর উত্তরসূরি হিসেবে মোজতবা খামেনীর প্রশংসা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে তিনি তার বাবার মতোই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অব্যাহত রাখবেন। কিম জং উন বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে ইসরায়েলের ঔদ্ধত্য ভাঙতে এবং তাদের অপমানিত করতে ইরানের এই নতুন নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে মার্কিন এবং ইসরায়েলি আগ্রাসন চরম আকার ধারণ করেছে বলে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। বিশেষ করে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতার সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের পর তেহরান ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে কৌশলগত জোট আরও শক্তিশালী হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
কিম জং উনের এই বক্তব্যকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা প্রতিরোধের অক্ষ হিসেবে অভিহিত করছেন যা পশ্চিমাবিরোধী দেশগুলোর মধ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার একটি বড় ধাপ। কিম জং উন বিশ্বাস ব্যক্ত করেছেন যে মোজতবা খামেনী তার বাবার আদর্শ অনুসরণ করে আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা এবং শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখবেন।উত্তর কোরিয়ার নেতার এই সমর্থন বার্তাটি দ্রুতই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পিয়ংইয়ং ও তেহরানের এই ঘনিষ্ঠতা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে নতুন মোড় দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিবৃতিতে কিম জং উন আবারও জোর দিয়ে বলেছেন যে তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে ইরানের পাশে থাকবেন এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সামরিক ও রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন। পিয়ংইয়ং ও তেহরানের এই ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই দুই দেশের জোটবদ্ধ অবস্থান বিশ্ব রাজনীতির ক্ষমতার ভারসাম্যকেও প্রভাবিত করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
সূত্র: X (টুইটার) অ্যাকাউন্ট


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন