জুলাই ৮, ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম
পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে এক কন্যাশিশুকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের একটি মন্তব্য নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, রাজ্যে আন্দোলন বা প্রতিবাদের ভাষা আক্রান্তের পরিচয়ের ওপর নির্ভর করে।
তার দাবি, একটি নির্দিষ্ট শ্রেণীর রাজনৈতিক নেতারা কেবল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর আঘাত এলেই পথে নামেন। দিলীপ ঘোষ বলেন, "মুসলিম বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কোনো বিষয় হলেই যেভাবে রাস্তায় নেমে আন্দোলন হয়, হিন্দু নারী বা বিজেপি কর্মীদের হত্যা ও বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় সেই প্রতিবাদীরা আশ্চর্যজনকভাবে নীরব থাকেন।"
তিনি অভিযোগ করেন, এই আন্দোলনগুলো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট। রাজনৈতিক বিরোধীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বেশি বাড়াবাড়ি না করে এসব `ড্রামা` বন্ধ করতে হবে। সেই সঙ্গে রাজ্যের পুলিশ ও তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের কার্যপদ্ধতি নিয়েও তিনি কড়া সমালোচনা করেন। ইস্তফা দেওয়া অথবা কাজে ফিরে মানুষের সেবা করার আল্টিমেটাম দেন তিনি। এছাড়া সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কঠোর সমালোচনাও করেন দিলীপ ঘোষ।
অন্যদিকে, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বারুইপুরসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর ও রেললাইন উপড়ে ফেলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনি আন্দোলনকারীদের `তাণ্ডবকারী` হিসেবে অভিহিত করেন। শুভেন্দু জানান, ভিডিও ফুটেজ দেখে ইতোমধ্যেই ২০০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং এর পেছনে থাকা উস্কানিদাতাদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে। এই অশান্তির নেপথ্যে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ইন্ধন রয়েছে বলে দাবি করে তিনি তৃণমূল ও সিপিএম-কে নিশানা করেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন