বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ব্রিকস সম্মেলনের পর বিশ্বনেতাদের অসুস্থতার খবর, যা বলছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম

ব্রিকস সম্মেলনের পর বিশ্বনেতাদের অসুস্থতার খবর, যা বলছে ভারত

ছবি: সংগৃহীত

ভারতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন শেষ হওয়ার পর বিশ্বনেতাদের অসুস্থতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা দাবিকে পুরোপুরি নাকচ করেছে নয়াদিল্লি। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব প্রচারণাকে সম্পূর্ণ ভুয়া ও বিদ্বেষপূর্ণ আখ্যা দিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক সতর্কতা জারি করেছে। দিল্লি এই অপপ্রচারকে সরাসরি নাকচ করেছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ফ্যাক্ট-চেকিং সেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, সম্মেলনের পর কিছু স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়াচ্ছে। বিশ্বনেতাদের স্বাস্থ্য নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো এসব পোস্টের তালিকায় আন্তর্জাতিক প্রেডিকশন মার্কেট প্ল্যাটফর্ম পলিমার্কেটের একটি পোস্টও চিহ্নিত করা হয়েছে। ভুয়া খবরের বিষয়ে সর্বসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে এই পোস্টগুলোকে বিদ্বেষপূর্ণ বলে অভিহিত করেছে মন্ত্রণালয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা সম্মেলন শেষে দেশে ফেরার পর প্রকাশ্য কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়ালে এই গুজবের সূত্রপাত হয়। তার কার্যালয় নিশ্চিত করেছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে সব ধরনের জনসমাগমমূলক কাজ থেকে তিনি সাময়িক বিশ্রামে রয়েছেন। এর পরপরই অনলাইনের বিভিন্ন যাচাইবিহীন বার্তায় দাবি করা হয়, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও জ্ঞান হারিয়ে অসুস্থ হয়ে আগেই সম্মেলনস্থল ত্যাগ করেছেন। চায়না ডেমোক্রেসি পার্টির চেয়ারম্যান ওয়ানজুন সিয়ে সর্বপ্রথম এই দাবি প্রকাশ্যে আনলেও বেইজিং বা নয়াদিল্লির কেউই এর সত্যতা স্বীকার করেনি।

নয়াদিল্লিতে গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। আনুষ্ঠানিক সফরসূচি মেনে সম্মেলনে সক্রিয়ভাবে উপস্থিত থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে সম্মেলনের প্রথম দিনে নরেন্দ্র মোদির আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে তিনি অনুপস্থিত ছিলেন।