রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

এসি ছাড়াই ঘর ঠান্ডা রাখার ৫টি বৈজ্ঞানিক কৌশল

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

মে ২০, ২০২৬, ০৭:২২ পিএম

এসি ছাড়াই ঘর ঠান্ডা রাখার ৫টি বৈজ্ঞানিক কৌশল

ঘর ঠান্ডা রাখার উপায়

মে মাসের তীব্র গরমে সাধারণ মানুষের জনজীবন রীতিমতো ওষ্ঠাগত। ঘরে কিংবা বাইরে কোথাও যেন এতটুকু স্বস্তি মিলছে না। অসহ্য এই গরমে ঘর ঠান্ডা রাখার চটজলদি সমাধান হিসেবে অনেকেই এসি ব্যবহার করছেন। কিন্তু সবার পক্ষে এসি কেনা যেমন সম্ভব নয় তেমনি মাস শেষে আকাশচুম্বী বিদ্যুৎ বিল মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে।

সাধারণ একটি টেবিল বা স্ট্যান্ড ফ্যানের সামনে বরফভর্তি বাটি রেখে ম্যাজিক কুলারের মতো ইভাপোরেটিভ কুলিং প্রক্রিয়ায় দ্রুত ঘর ঠান্ডা করা যায়।সারাদিন জানালা খোলা রাখলে ঘর ঠান্ডা থাকে বলে অনেকের ভুল ধারণা রয়েছে। 

বাস্তবে সকাল দশটার পর থেকে রোদের তেজ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাইরের বাতাস অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুপুরের দিকে জানালা ও ভারী পর্দা বন্ধ রাখলে সেই উত্তপ্ত বাতাস কোনোভাবেই ঘরে ঢুকতে পারে না। সূর্য ডোবার পর বাইরের আবহাওয়া কিছুটা ঠান্ডা হলে ঘরের সব জানালা খুলে দেওয়া উচিত। এর ফলে জমে থাকা গরম বাতাস সহজেই বাইরে বেরিয়ে যেতে পারে।

পুরোনো আমলের হলুদ আলো ছড়ানো গোল বাল্বের বদলে এলইডি বাল্ব ব্যবহার করলে ঘরের তাপমাত্রা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।রান্নাঘর বা বাথরুমের এক্সহস্ট ফ্যান শুধু ধোঁয়া বা দুর্গন্ধই দূর করে না বরং ঘরের ভেতরের বন্দি গরম বাতাস টেনে বাইরে বের করে দেয়। সিলিং ফ্যান ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরলে গরম বাতাস ওপরের দিকে টেনে নিচে ঠান্ডা বাতাস ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে। 

বিকালের দিকে ঘরের মেঝে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুছে নিলে বাষ্পীভবনের কারণে তাপমাত্রা বেশ খানিকটা কমে আসে। প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় বাতাস থেকে অতিরিক্ত তাপ শুষে নিতে স্নেক প্ল্যান্ট বা অ্যালোভেরার মতো গাছ ঘরে রাখা বেশ কার্যকরী।