শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬,

খাদ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারকারী দেশ থেকে আমদানিনির্ভরতা কমবে: প্রেস সচিব

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

নভেম্বর ৯, ২০২৫, ১০:৪২ এএম

খাদ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারকারী দেশ থেকে আমদানিনির্ভরতা কমবে: প্রেস সচিব

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, গত ১৫ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি অর্থনীতি ও ফার্ম লবির সঙ্গে শক্তিশালী সম্পর্ক স্থাপন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম বড় অর্জন। এই সাফল্যের মাধ্যমে খাদ্যকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারে এমন দেশগুলোর ওপর বাংলাদেশের আমদানিনির্ভরতা কমবে।

রবিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই মন্তব্য করেন।প্রেস সচিব লিখেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দূরদর্শী নেতৃত্বে এই সাফল্যের সূচনা হয়। তিনি ড. খলিলুর রহমানকে (রোহিঙ্গা বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা) ওয়াশিংটনডিসিতে পাঠান, যিনি দ্রুতই মার্কিন কৃষিখাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলেন।

শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশ কৃষিপণ্যের একটি বড় আমদানিকারক এবং যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ কৃষিপণ্য রপ্তানিকারক দেশ। মার্কিন কৃষিপণ্যে প্রবেশাধিকার বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।একই সঙ্গে এটি খাদ্য আমদানির উৎসে বৈচিত্র্য এনে আমাদের এমন দেশগুলোর ওপর নির্ভরতা কমাবে, যারা খাদ্য সরবরাহকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।"

আমদানি প্রতিশ্রুতি: এই সপ্তাহের শুরুতে বাংলাদেশের আমদানিকারকরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি কৃষিপণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।পোশাক শিল্পের সুরক্ষা: ড. খলিলুর রহমানের দক্ষতাপূর্ণ ভূমিকার ফলে বাংলাদেশ শুল্ক আলোচনায় এমন প্রতিযোগিতামূলক শুল্কহার অর্জন করতে পেরেছে, যা দেশের পোশাক শিল্পকে কার্যকরভাবে সুরক্ষা দিয়েছে।

ভবিষ্যৎ সুবিধা: প্রেস সচিব আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমে এলে আরও অনুকূল শুল্কহার নিয়ে আলোচনা করা যাবে এবং মার্কিন ফার্ম লবিই তাদের রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করবে।শফিকুল আলম লিখেছেন, জাপান, চীন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো এবং পশ্চিম ইউরোপ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দৃঢ় বাণিজ্যিক সম্পর্কের মাধ্যমেই সমৃদ্ধি অর্জন করেছে। এখন বাংলাদেশও সেই পথ অনুসরণ করতে প্রস্তুত।