রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

শুরু হলো ৫০তম বিসিএসের আবেদন, পিএসসির যত নির্দেশনাবলী

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ডিসেম্বর ৫, ২০২৫, ১১:৪৪ এএম

শুরু হলো ৫০তম বিসিএসের আবেদন, পিএসসির যত নির্দেশনাবলী

বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি) কর্তৃক প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৫০তম বিসিএস পরীক্ষার আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই বিসিএস থেকে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মিলে মোট ২,১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

পিএসসি আবেদনসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করেছে, যা আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য অনুসরণ করা আবশ্যক।

বিবরণ তথ্য
আবেদন শুরু ৪ ডিসেম্বর ২০২৫, সকাল ১০টা
আবেদন শেষ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, বেলা ১১টা ৫৯ মিনিট
বয়সসীমা ১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে ২১ হতে ৩২ বছর
মোট শূন্য পদ ক্যাডার ১,৭৫৫টি, নন-ক্যাডার ৩৯৫টি (মোট ২,১৫০টি)

সাধারণ প্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি ২০০ টাকা।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী/প্রতিবন্ধী/তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য আবেদন ফি ৫০ টাকা।

অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ফি প্রদান করতে হবে।আগ্রহী প্রার্থীরা বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ওয়েবসাইট (http://bpsc.teletalk.com অথবা কমিশনের ওয়েবসাইট) এর মাধ্যমে কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত অনলাইন আবেদনপত্র (BPSC Form-1) পূরণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ও ফি জমাদান সম্পন্ন করতে পারবেন।

আবেদনপত্রের শর্ত ও নির্দেশনা

১. সংশোধন: আবেদন ফি প্রদানের পূর্ব পর্যন্ত আবেদনপত্র সংশোধন করা যাবে।

২. পদের পরিবর্তন: নতুন পদ সৃষ্টি, বিলুপ্তি, পদোন্নতি, অবসর ইত্যাদি কারণে বিজ্ঞাপিত শূন্য পদের সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।

৩. অবতীর্ণ প্রার্থীর আবেদন: যদি কোনো প্রার্থী এমন কোনো পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন যে পরীক্ষায় পাস করলে তিনি ৫০তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করবেন এবং তার ফলাফল আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ পর্যন্ত প্রকাশ না হয়, তাহলেও তিনি ‘অবতীর্ণ প্রার্থী’ হিসেবে সাময়িকভাবে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

৪. বিবাহ সংক্রান্ত: সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো প্রার্থী কোনো বিদেশি নাগরিককে বিবাহ করলে বা বিবাহ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলে তিনি আবেদনের অযোগ্য বিবেচিত হবেন।

৫. অপসারিত প্রার্থী: চাকরি হতে অপসারিত হয়েছেন বা ইস্তফা দিয়েছেন এমন প্রার্থীরাও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে তাদেরকে চাকরি হতে অপসারণ আদেশের বা ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়েছে মর্মে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আদেশের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে।

৬. প্রিলিমিনারি টেস্ট: প্রিলিমিনারি টেস্টের উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনঃ পরীক্ষণের কোনো সুযোগ থাকবে না।

প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের জন্য শ্রুতিলেখকের নির্দেশনা

যেসব প্রতিবন্ধী প্রার্থীর শ্রুতিলেখক প্রয়োজন, তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পিএসসি নির্ধারিত যোগ্যতাসম্পন্ন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শ্রুতিলেখক প্রদান করবে।

শ্রুতিলেখক প্রয়োজন হলে ৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) বরাবর ডাক্তারি প্রত্যয়নপত্র, ছবি এবং প্রতিবন্ধী পরিচয়পত্রের কপিসহ শ্রুতিলেখক প্রাপ্তির জন্য দরখাস্ত করতে হবে।