জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ০৩:৪৯ পিএম
চলতি ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের জন্য ভিসার আবেদন প্রক্রিয়ার তারিখ ঘোষণা করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে হজের ভিসার জন্য আবেদন শুরু হবে এবং এই প্রক্রিয়া চলবে ২০ মার্চ পর্যন্ত। গত ২৯ জানুয়ারি মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধনকারী যাত্রীদের বর্তমানে সরকারি হাসপাতালগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে যা ভিসা আবেদনের আগে সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সৌদি সরকারের নির্ধারিত নুসুক মাসার পদ্ধতিতে এবার ভিসার আবেদন করতে হবে। তবে আবেদনের আগে প্রতিটি হজযাত্রীকে অবশ্যই নির্ধারিত সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং নির্দিষ্ট কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় টিকা গ্রহণ করে ফিটনেস সনদ সংগ্রহ করতে হবে।
এই ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো হজযাত্রী এবার হজে যেতে পারবেন না বলে মন্ত্রণালয় থেকে কঠোরভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিবন্ধিত প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে এবং তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে যে সৌদি আরবের নতুন হজ নীতিমালা ও কারিগরি ব্যবস্থার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। হজযাত্রীদের ভিড় এড়াতে এবং সঠিক সময়ে ভিসা নিশ্চিত করতে ২০ মার্চের মধ্যেই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পর আবেদন করার কোনো সুযোগ থাকবে না বিধায় হজযাত্রীদের দ্রুত তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকার কাজ শেষ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। হজের প্রস্তুতি কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ধর্ম মন্ত্রণালয় সব ধরনের প্রশাসনিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।
বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়ে অধিক কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে যাতে সৌদি আরবে গিয়ে হজযাত্রীরা কোনো শারীরিক জটিলতায় না পড়েন। হজযাত্রীরা নিজ নিজ জেলার সিভিল সার্জন অফিস বা নির্ধারিত সরকারি হাসপাতালে যোগাযোগ করে এই পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করতে পারবেন। সফলভাবে ফিটনেস সনদ সংগ্রহের পরই কেবল অনলাইনে ভিসার জন্য আবেদন করা যাবে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন