ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৮:৫৮ পিএম
নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন হতে কিছুটা সময় লাগলেও পরবর্তী নির্বাচিত সরকার এই সিদ্ধান্ত আর পরিবর্তন করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। মঙ্গলবার সচিবালয়ে ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই দৃঢ় অবস্থানের কথা জানান।
উপদেষ্টা বলেন অন্তর্বর্তী সরকার এমনভাবে কাঠামো তৈরি করছে যাতে পরবর্তী সরকারের জন্য একটি স্বস্তিদায়ক অর্থনৈতিক অবস্থা বজায় থাকে। গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী নড়বড়ে অর্থনীতিকে দেড় বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনকারীরা যখন টানা তিন দিনের কর্মসূচি পালন করছে ঠিক সেই সময়ে অর্থ উপদেষ্টার এমন বক্তব্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। সালেহউদ্দিন আহমেদ উল্লেখ করেন যে সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনীতির ভীত শক্ত করা হচ্ছে ।
যাতে কোনো দলীয় রাজনৈতিক এজেন্ডা দেশের আর্থিক ক্ষতি করতে না পারে তবে আগের সরকারের বেশ কিছু অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়ার ফলে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে কিছুটা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। বর্তমান সরকার সেই চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে নতুন ও অর্থবহ কর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকে নজর দিচ্ছে।আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটের ব্যয়ের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা জানান যে সরকার গণভোটের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ রেখেছে।
তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে এই বরাদ্দ শুধুমাত্র কোনো নির্দিষ্ট পক্ষ বা ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণার জন্য নয় বরং পুরো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জন্য। গণভোট এবং সংসদ নির্বাচন একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবার অন্যবারের তুলনায় স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচনী খরচের পরিমাণ কিছুটা বেশি হচ্ছে। দেশের সার্বিক আর্থিক পরিস্থিতি এখন অনেক বেশি স্বচ্ছ ও টেকসই এবং এটিই নতুন সরকারের জন্য বড় পুঁজি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন