শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬,

১০ মার্চ কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক

মার্চ ৩, ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম

১০ মার্চ কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন ১০ মার্চ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি বগুড়ায় হওয়ার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে কর্মসূচির স্থান পরিবর্তন করেছে সরকার।

মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন জানান, মূলত বগুড়ায় উপ-নির্বাচন চলাকালীন আচরণবিধি ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সেখানে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরিবর্তে ঢাকার বৃহত্তম কড়াইল বস্তিকে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের সূচনাস্থল হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। 

সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে নিম্নবিত্ত ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলো সরাসরি সরকারি সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় আসবে। ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই ডিজিটাল কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হলে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা হবে।

প্রস্তাবিত এই ফ্যামিলি কার্ডের প্রযুক্তিগত দিক সম্পর্কে মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, এটি প্রচলিত পরিচয়পত্রের মতোই আধুনিক স্মার্ট কার্ডের আদলে তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে কার্ডধারী পরিবারগুলোর তথ্য ডিজিটাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকবে এবং সহায়তা বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। তিনি আরও জানান, প্রাথমিক পরিকল্পনার তুলনায় এই কার্ডের চাহিদা অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, সরকারের মূল পরিকল্পনার চেয়ে প্রায় ছয় গুণ বেশি কার্ডের প্রয়োজন হতে পারে। এই বিপুল চাহিদা মেটাতে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।

ফ্যামিলি কার্ড চালুর মাধ্যমে টিসিবিসহ বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি আরও সহজতর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রান্তিক মানুষের কাছে সরাসরি সেবা পৌঁছে দিতে এই ডিজিটাল কার্ডটি অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে এই প্রকল্পের কাজ তদারকি করছে। ১০ তারিখের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য কড়াইল বস্তি এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপকে দেশের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির এক বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।