মার্চ ৬, ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম
বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ প্রেক্ষাপটে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি বলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসি। শুক্রবার এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংস্থাটি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
সংকটময় পরিস্থিতির কথা বলে বা গুজবের ওপর ভিত্তি করে তেলের বাড়তি দাম আদায় করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। দেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী সরকার নির্ধারিত মূল্যেই জ্বালানি তেল কেনাবেচা করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা একদম স্বাভাবিক রয়েছে। প্রতি মাসের শুরুতে সরকারের পক্ষ থেকে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় বা নির্ধারণ করার একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া চালু আছে। ফলে হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই দাম বাড়ানোর সুযোগ নেই।
বিপিসি লক্ষ্য করেছে যে, কিছু অসাধু ডিলার, ফিলিং স্টেশন এবং অতিউৎসাহী ভোক্তা প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করে তা অননুমোদিতভাবে মজুত করার চেষ্টা করছেন। বিষয়টি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপিসি জানিয়েছে, অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।দেশের সাধারণ মানুষের মনে থাকা আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি দূর করতে সংস্থাটি আশ্বস্ত করেছে যে, বিদেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানির কার্যক্রম পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চলমান আছে।
নিয়মিত বিরতিতে জ্বালানি তেলের পার্সেল দেশে পৌঁছাচ্ছে। ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী প্রধান স্থাপনা থেকে রেল ওয়াগন এবং ট্যাংকারের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি ডিপোতে পর্যাপ্ত তেল পাঠানো হচ্ছে। বিপিসি প্রত্যাশা করছে যে, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দেশে জ্বালানি তেলের একটি পর্যাপ্ত বাফার স্টক গড়ে তোলা সম্ভব হবে। জনমনে অস্থিরতা তৈরি না করার জন্য বিপিসির পক্ষ থেকে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন