রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

দুর্ঘটনায় মা-বাবা হারানো শিশুর দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক

মার্চ ১৮, ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম

দুর্ঘটনায় মা-বাবা হারানো শিশুর দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

শিশুর দায়িত্বে প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ার শেরপুরে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই দুর্ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া দেড় বছর বয়সী এক গুরুতর আহত শিশুর উন্নত চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি। বুধবার সকালে ঢাকা থেকে রংপুরগামী একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস দুর্ঘটনার কবলে পড়লে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। 

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।আহত শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে বগুড়ার জেলা প্রশাসক এবং শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে কথা বলে শিশুটির শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন। তিনি আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন। 

এছাড়া ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গেও কথা বলে শিশুটির জন্য বিশেষ চিকিৎসা ব্যবস্থা ও নিবিড় তদারকির নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন যে মা-বাবা হারানো এই অসহায় শিশুটির যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয়ভার তিনি নিজেই বহন করবেন।দুর্ঘটনার শিকার মাইক্রোবাসটিতে চালকসহ মোট ১২ জন যাত্রী ছিলেন। শেরপুর এলাকায় পৌঁছালে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন যাত্রী প্রাণ হারান। 

পরে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটির বাবা-মাসহ আরও তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় শিশুটির চিকিৎসার তদারকি সরাসরি তদারকি করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। বর্তমানে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনার প্রক্রিয়া চলছে এবং সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। অসহায় শিশুটির পাশে প্রধানমন্ত্রীর এই তাৎক্ষণিক দাঁড়ানোর উদ্যোগটি বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হচ্ছে।