বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

উলাশী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক

এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ১২:২১ পিএম

উলাশী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

উলাশী খাল খননের উদ্বোধন

যশোরের শার্শা উপজেলায় বেতনা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত উলাশী-যদুনাথপুর এলাকার প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ ঐতিহাসিক উলাশী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে তিনি এই উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে ওই অঞ্চলের কৃষিকাজ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। 

এ ছাড়া পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় প্রকল্পের কারিগরি দিক সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন পর এই খালটি পুনঃখননের উদ্যোগে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে।

এর আগে আজ সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী একটি বিশেষ বিমান যশোর বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে নামার পর তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। এরপর বিমানবন্দর থেকে তিনি নির্ধারিত বাসে চড়ে শার্শা উপজেলার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বিমানবন্দর এলাকা ও যশোরের প্রধান সড়কগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। 

হাজার হাজার মানুষ রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।উলাশী খাল পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি রয়েছে। দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে তিনি যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এরপর ১টা ৩৫ মিনিটে ঐতিহ্যবাহী যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শনের কথা রয়েছে তাঁর। 

সফরের শেষ ভাগে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এই সফর ঘিরে যশোরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতারা প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে সফল করতে গত কয়েক দিন ধরেই নিরলসভাবে কাজ করছেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সফরের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন গতি আসবে।