বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

প্রধানমন্ত্রীর একটি সিদ্ধান্তেই রক্ষা পেল ৩ হাজারেরও বেশি গাছ

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ০৭:২৬ পিএম

প্রধানমন্ত্রীর একটি সিদ্ধান্তেই রক্ষা পেল ৩ হাজারেরও বেশি গাছ

মেরিন ড্রাইভের সবুজায়ন

গাছ না কেটে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার ফলে কক্সবাজারের উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় তিন হাজার গাছ রক্ষা পেল। এটি দেশের পরিবেশ সুরক্ষা ও সবুজায়ন রক্ষায় একটি বিশেষ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়। এর আগে গত ২১ এপ্রিল সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সরেজমিনে মেরিন ড্রাইভ এলাকা পরিদর্শন করেন। 

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব উপস্থিত ছিলেন।কলাতলী থেকে টেকনাফের সাবরাং জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ককে চার লেনে উন্নীত করার কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী সড়ক প্রশস্ত করতে বিপুলসংখ্যক গাছ কাটার প্রয়োজন ছিল।

 

তবে প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন এবং একটি গাছও না কেটে রাস্তার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে বলেন।সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, শুধু বিদ্যমান গাছ সংরক্ষণই নয়, পুরো মেরিন ড্রাইভকে আরও দৃষ্টিনন্দন ও পরিবেশবান্ধব করতে সড়কের দুই পাশে নতুন সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সম্প্রসারণ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৬ ও ১৭ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়নের তত্ত্বাবধানে করা হচ্ছে। এই প্রকল্পে রাস্তা প্রশস্তকরণ ছাড়াও রেজু খালের ওপর ৩০৫ মিটার দীর্ঘ ২ লেনের সেতু নির্মাণ, আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল এবং সিসি ব্লক স্থাপনের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রকল্পের কাজ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্ত উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার এক অনন্য নজির হয়ে থাকবে।