জুন ৮, ২০২৬, ০৭:১২ পিএম
আমদানি ও রপ্তানির আড়ালে প্রতি বছর দেশ থেকে প্রায় আট বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। সোমবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে করা এক সম্পূরক প্রশ্নের মাধ্যমে তিনি এই উদ্বেগের কথা জানান।
রুমিন ফারহানা বলেন, আমদানি-রপ্তানির নামে এই বিশাল অঙ্কের অর্থ পাচার বন্ধে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট কোনো উদ্যোগ আছে কি না।জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর জানান, ১৩০ বিলিয়ন ডলারের আমদানি-রপ্তানি অর্থনীতির মধ্যে সুনির্দিষ্ট কোনো পণ্যের মাধ্যমে অর্থ পাচার হচ্ছে কি না, তা পিনপয়েন্ট করে বলা বেশ জটিল।
তিনি জানান, আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশনসহ বিভিন্ন ট্যারিফ ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে। কোনো পণ্যের প্রাইস ফিক্সড বা শুল্ক মূল্যের বাইরে কোনো দুর্বলতা আছে কি না, তা বের করা একটি গবেষণাধর্মী কাজ।মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর বিশাল পরিমাণ পণ্য ও সেবা আমদানি-রপ্তানি হয়।
গত বছর আমদানির পরিমাণ ছিল ৬৭ বিলিয়ন এবং রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৫৫ বিলিয়নের মতো। এত বিশাল লেনদেনের মধ্যে পাচার শনাক্ত করা সহজ নয়।তবে পাচার রোধে সরকার যথেষ্ট সচেতন বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় স্টাডি বা গবেষণা চালাচ্ছে। সুনির্দিষ্টভাবে কোনো পণ্যের আড়ালে অর্থ পাচারের তথ্য নজরে এলে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন