জুন ১৮, ২০২৬, ০২:০৩ পিএম
সরকারপ্রধান ও বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২২ জুন সোমবার রাতে পাঁচ দিনের সফরে বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে তাঁর ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে। এই সফরে দ্বিপাক্ষিক রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে।
সফরকালে তিনি দেশটির রাষ্ট্রপতি শি জিন পিং, প্রধানমন্ত্রী এবং সিপিসির চেয়ারম্যানের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন।বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।সফরসূচি অনুযায়ী দ্বিতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রী হাই স্পিড বা দ্রুতগতির ট্রেনে বেইজিং পৌঁছাবেন। সেখানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চীনের বড় বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বিশেষ ইনভেস্টমেন্ট সামিট বা বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
এর পাশাপাশি তিনি চীনের শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান চেরি, হান্ডা ও চায়নাটেক্সের প্রধানদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন। একই দিনে ঐতিহাসিক গ্রেট হলে চীনের প্রধান নেতাদের সঙ্গে তাঁর আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে চীনের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ভিত্তি লাভ করেছে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে এই সফর ঢাকা ও বেইজিংয়ের সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। তবে এই সফরের দিকে বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী দেশ গভীর নজর রাখছে বলেও তারা উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে চীনের ভূমিকা অপরিহর্য হওয়ায় এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা নতুন মাত্রা যোগ করবে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক চুক্তি চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো সংকট তৈরি করবে না। ভবিষ্যতে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে সফল উত্তরণ, আসিয়ানের সদস্যপদ বা পর্যবেক্ষক হওয়া এবং আরসেপে যুক্ত হওয়ার জন্য চীনের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা প্রয়োজন। বিশেষ করে ম্যানুফ্যাকচারিং ইনভেস্টমেন্ট বা উৎপাদনমুখী বিনিয়োগ এবং তৈরি পোশাক ও জুতো রপ্তানির ক্ষেত্রে বেইজিংয়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন