জুন ২৪, ২০২৬, ০৮:৪২ পিএম
রমজান ও পরবর্তী সময়ে দেশের বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চার কোটি লিটার ভোজ্যতেল এবং ২২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। আজ বুধবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত পৃথক চারটি প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।এই বিপুল পরিমাণ নিত্যপণ্য কিনতে সরকারের মোট ব্যয় হবে ৮১২ কোটি টাকারও বেশি।অনুমোদিত প্রস্তাবের আওতায় ২ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল এবং ২ কোটি লিটার পরিশোধিত পাম অলিন কেনা হবে।
এই চার কোটি লিটার ভোজ্যতেল আমদানিতে সরকারের মোট খরচ ধরা হয়েছে ৬৪৫ কোটি ৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে স্থানীয় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ঢাকার শবনম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড থেকে ৩৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে পাম অলিন কেনা হবে, যার প্রতি লিটারের দাম পড়বে ১৮৩ টাকা ৯৫ পয়সা। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে অস্ট্রেলিয়ার এমসিজি ইন্টারন্যাশনাল পিটিওয়াই লিমিটেড থেকে সয়াবিন তেল আমদানি করা হবে, যার প্রতি লিটারের ক্রয়মূল্য পড়বে ১৬৪ টাকা ৭৭ পয়সা।
ভোজ্যতেলের পাশাপাশি নিম্নবিত্তদের জন্য টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় বিতরণের লক্ষ্যে ২২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিটি। এতে সরকারের মোট খরচ হবে প্রায় ১৬৭ কোটি ২৪ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে স্থানীয়ভাবে চট্টগ্রামের মেসার্স পায়েল অটোমেটিক ফুড প্রসেসিং মিলস থেকে ১০ হাজার মেট্রিক টন ডাল কেনা হবে ৮১ কোটি ৪৭ লাখ টাকায়।
বাকি ১২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন ডাল আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার এমসিজি ইন্টারন্যাশনাল পিটিওয়াই লিমিটেড থেকে আমদানি করা হবে, যার প্রতি কেজির দাম পড়বে ৭৪ টাকা ৮৬ পয়সা।সরকারিভাবে এই বিপুল পরিমাণ নিত্যপণ্য সংগ্রহের ফলে বাজারে পণ্যগুলোর মূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অনেক সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এর ফলে সাধারণ মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা যাবে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন