জুলাই ২৫, ২০২৫, ০৩:৪০ পিএম
গত সোমবার (২১ জুলাই) রাজধানীর উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর থেকেই এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বহু শিক্ষার্থী অগ্নিদগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে অনেকেই জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রতিনিয়ত বাড়ন্ত মৃতের সংখ্যায় সারাদেশের মানুষ শোকাহত। এরই ধারাবাহিকতায় আরও এক সম্ভাবনাময় প্রাণ, মাকিন, চিরতরে বিদায় নিলো।
রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ শিক্ষার্থী মাকিনের (১৪) মৃত্যু হয়েছে। সে মাইলস্টোনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। এই মর্মান্তিক মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ওই দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ল।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। দীর্ঘ দিন জীবন-মৃত্যুর সাথে লড়াই করার পর অবশেষে সে না-ফেরার দেশে চলে গেল।
মাকিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, মাকিন ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই তার অবস্থা গুরুতর ছিল। চিকিৎসকদের সর্বাত্মক চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এই ঘটনায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা কত, তা নিয়ে বিভিন্ন সূত্র থেকে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য আসলেও মাকিনের মৃত্যুর পর নিহতের সংখ্যা আরও বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। একটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের উপর এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা দেশের মানুষের মনে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। আহতদের চিকিৎসায় সরকারের পাশাপাশি বিদেশি চিকিৎসকরাও কাজ করছেন, কিন্তু অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
মাকিনের পরিবারের স্বজনদের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। তার এই অকাল মৃত্যুতে সহপাঠী, শিক্ষক এবং এলাকার মানুষ শোকাহত।



দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন