জুলাই ২৭, ২০২৬, ০৩:০৫ পিএম
মালদ্বীপ সরকারের বিশেষ অতিথি হিসেবে দেশটির ৬১তম স্বাধীনতা দিবসের বর্ণাঢ্য সামরিক প্যারেড ও কুচকাওয়াজে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। মালে শহরের রিপাবলিক স্কয়ারে অনুষ্ঠিত এ উদযাপনে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম। এসময় বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে দুই বন্ধুপ্রতিম দক্ষিণ এশীয় দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও মজবুত ও নিবিড় করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
দ্বীপরাষ্ট্রটির ঐতিহাসিক অর্জনের স্মারক হিসেবে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে মালদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সের বিভিন্ন শাখার সুশৃঙ্খল কুচকাওয়াজ, শৃঙ্খলা ও ঐতিহ্যবাহী সামরিক প্রদর্শনী উপভোগ করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কুচকাওয়াজ শেষে তিনি দেশটির সমৃদ্ধ ঐতিহ্যভিত্তিক একটি সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং রাতে বর্ণাঢ্য আতশবাজি প্রদর্শনীতে অংশ নেন।
এর আগে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর বিশেষ পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচির আওতায় লোনুজিয়ারাই পার্কে একটি ক্রিস্টিনা গাছের চারা রোপণ করেন ড. খলিলুর রহমান। এই সবুজায়ন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে বাংলাদেশে চলমান পরিবেশ সুরক্ষা কর্মপরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তিনি।পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন করছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় দুই দেশের এই অভিন্ন উদ্যোগ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। একই সাথে তিনি ইতিহাস স্মরণ করে জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিশেষ উদ্যোগে সৌদি আরবের ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে বিপুল সংখ্যক নিমগাছ রোপণ করা হয়েছিল, যা বিশ্বমঞ্চে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।দুই দেশের নেতাদের গৃহীত এসব পদক্ষেপ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের টেকসই সুরক্ষায় পারস্পরিক অংশীদারিত্ব বাড়াবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন