বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর, ২০২৬,

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন: হেবা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে

জাতীয় ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১১:৪৭ এএম

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন: হেবা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে

ছবি: সংগৃহীত

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সাম্প্রতিক সংশোধনীকে ঘিরে ওঠা বিতর্ক পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার বিকেলে যশোর শহরের পিটিআই মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি জানান, সংশোধিত এই আইনের ফলে মুসলিম পারিবারিক আইনে থাকা হেবা বিধানে কোনো ধরনের ব্যত্যয় ঘটবে না। মূলত সমাজে প্রবীণ পিতা-মাতার অধিকার নিশ্চিত করতেই ১৮৮২ সালের এই বিধানে নতুন সুরক্ষা যুক্ত করা হয়েছে। হেবা আইনে হাত দেওয়ার ক্ষমতা ইহজাগতিক কারও নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, হেবা দলিল কিংবা প্রচলিত অন্যান্য আইনের অধীনে যেকোনো দান বা উইলের মাধ্যমে বৈধভাবে সম্পত্তি হস্তান্তরের সুযোগ পুরোপুরি বহাল থাকবে। যারা এই পরিবর্তনের বিরোধিতা করছেন, তারা আইনটির মূল ধারাগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে না পড়েই অযথা বিভ্রান্তিকর প্রচার চালাচ্ছেন। কোনো নাগরিকের ব্যক্তিগত বা ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা সরকারের উদ্দেশ্য নয়, বরং দুর্বল অভিভাবকরা যাতে নিঃস্ব না হন তা নিশ্চিত করাই এই সংশোধনীর একমাত্র লক্ষ্য।

যশোরে ক্ষুদ্রঋণ খাতের দিনব্যাপী চাকরি মেলা উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ক্যারিয়ার হোক ক্ষুদ্রঋণ সেক্টরে, অবদান হোক দেশের উন্নয়নে‍‍` শীর্ষক এই মেলায় ৩৭টি ঋণদানকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। মেলায় জমা পড়া প্রায় ২২ হাজার জীবনবৃত্তান্ত ও আবেদনের মধ্য থেকে বাছাই করে এক হাজার ১১৫ জন চাকরিপ্রত্যাশীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম এবং জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মেরিনা আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।