বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

উপনির্বাচনেও সেনা মোতায়েন করবে নির্বাচন কমিশন

জাতীয় ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম

উপনির্বাচনেও সেনা মোতায়েন করবে নির্বাচন কমিশন

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনুরূপ কঠোর নিরাপত্তায় আসন্ন উপনির্বাচনগুলোতেও মাঠে সেনাবাহিনী মোতায়েন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে ভোটগ্রহণে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার প্রয়োগ করা হবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে ২৬টি মন্ত্রণালয়, সরকারি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।  

আগামী ৬ জুনের মধ্যেই ইউনিয়ন পরিষদসহ সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের সামগ্রিক প্রস্তুতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে এই উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট করেন যে ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে সাধারণ নির্বাচনের মতোই সেনাসদস্যসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী পূর্ণমাত্রায় দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি নির্বাচনী অনিয়ম ও অপতথ্য প্রতিরোধে প্রযুক্তিগত নজরদারি বহুগুণ বাড়ানো হবে। 

তিনি জানান, এর আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা কমিশন ঘোষণা করেছিল, তা নিয়ে বিশদ আলোচনার পর আগামী বছরের ৬ জুনের আগেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন চূড়ান্তভাবে শেষ করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষ পূর্ণ ঐকমত্য পোষণ করেছে।ভোটের সম্ভাব্য মাস নিয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার জাতীয় শিক্ষাপঞ্জি ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের জটিল সময়সূচি তুলে ধরেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসজুড়ে দেশব্যাপী বিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে বিভিন্ন স্তরের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। 

এর পরবর্তী জানুয়ারি মাসে কিছুটা ফাঁকা সময় মিললেও তার পরপরই শুরু হবে পবিত্র রমজান মাস এবং ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হবে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের মতো বৃহৎ পাবলিক পরীক্ষাগুলো। এই আঁটসাঁট ও সীমিত সময়ের মধ্যে কীভাবে মাঠপর্যায়ের নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়, তা নিয়েই মূলত বিভিন্ন অংশীজনের মতামত গ্রহণ করা হয়েছে। আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় বৈঠক থেকে প্রাপ্ত বাস্তবভিত্তিক তথ্য ও সুপারিশসমূহ দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিশন সভায় উপস্থাপন করা হবে। সেখানে বিস্তারিত পর্যালোচনা শেষে উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত রোডম্যাপ দেশবাসীর সামনে প্রকাশ করবে কমিশন।